Wap4dollar.com

Saturday, 23 May 2015

★★হাবীল ও কাবলী-এর ইতিহাস★★

★★হাবীল ও কাবলী-এর ইতিহাস -

হাবিল এবং কাবীল হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া (আঃ) এর দুই পুত্র। ইতিপুর্বে আমরা অবগত হয়েছি যে, হযরত আদম-হাওয়া (আঃ) এক সঙ্গে একটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান যমজভাবে জন্মগ্রহন করতেন। তখনকার নিয়মানুসারে বিভিন্ন সময়ের বা গর্ভের সন্তানকে বিভিন্ন বংশের বলে গণ্য করা হতো। প্রথম বারের পুত্রের সাথে দ্বিতীয়বারের কন্যা ও দ্বিতীয় বারের পুত্রের সাথে প্রথম বারের কন্যার বিবাহ হতো। তখনকার শরীয়ত অনুযায়ী এইরূপ বিবাহ প্রয়েজন ছিল। কারণ তখন হযরত আদম ও হাওয়া (আঃ) ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন মানব ছিলেন না। তাঁদের পুত্র-কন্যা সকলেই ভাই-বোন। কাজেই ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ না হলে, তারা সকলেই অবিবাহিত থেকে যেত। ফলে পৃথিবীতে আর বংশ বৃদ্ধি হতো না।
হযরত আদম (আঃ) এবং বিবি হাওয়া (আঃ) এর আবার লিওজা ও আকলিমা নামে দুই কন্যা ছিল। শরীয়ত অনুযায়ী হাবীলের সাথে আকলীমার এবং কাবীলের সাথে লিওজার বিবাহ স্থির হল। আকলিমা লিওজা অপেক্ষা সুন্দরী ছিলেন। সেহেতু কাবীল তাকেই বিবাহ করবে বলে বলতে লাগল, কিন্তু শরীয়ত মত তাহা হয় না। হযরত আদম (আঃ) ইহা দেখে তাঁর ছেলে কাবীল কে বুঝাতে লাগলেন, কিন্তু কাবীল তার সিদ্ধান্তে অনড়। হযরত আদম (আঃ) সমস্যায় পড়লেন।
এমনি সময়ে আল্লাহুর নিকট হতে আদেশ আসল হাবীল ও কাবীল উভয়েকেই মান্নত করতে হবে। যার মান্নত আল্লাহুর দরবারে গৃহীত হবে, সেই আকলীমাকে বিবাহ করবে।
কাবীল নিজ কৃষিজাত দৃব্য হতে কিছু ফল এবং তরকারী আল্লাহুর নামে উৎসর্গ করল আর হাবীল একটি হৃষ্টপুষ্ট মেষ আল্লাহুর নামে উৎসর্গ করবার জন্য উপস্থিত করে একটি পাহাড়ের নিকটবর্তী একস্থানে রেখে আসলেন। কোথা হতে একটা অগ্নি শিখা এসে হাবিলের মেষটাকের পুড়িয়ে দিয়ে গেল, আর কাবীলের ফল ও তরকারী যথারিতি পড়ে রইল। তখনকার দিনে ইহাই ছিল মান্নত আর কবুল হওয়ার নিদর্শন। কাজেই হাবীলই যে আকলীমাকে বিবাহ করবেন তাহা নির্ধারিত হয়ে গেল।
হাবীল ছিল সহজ সরল প্রকৃতির এবং ধর্মপ্রাণ। আর কাবীল ছিল শয়তানের অনুগামী হিংসুক।
কাবীলের মান্নত গৃহীত না হওয়ায় তার মনে হিংসার উদ্রেকের জন্ম হল। সে এতদুর উত্তেজিত হয়ে পড়ল যে, ক্রোধে আত্মহারা হয়ে একদিন সুযোগ মত জঙ্গলের মধ্যে হাবীলকে পেয়ে হত্যা করে ফেলল।
এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। যাহা নিম্নতুলে ধরা হলো।
উচ্চারণ- فَطَوَّعَتْ لَهُ نَفْسُهُ قَتْلَ أَخِيهِ فَقَتَلَهُ فَأَصْبَحَ مِنَ الْخَاسِرِينَ
(বাংলা অর্থ)-অতঃপর তার অন্তর তাকে ভ্রাতৃহত্যায় উদুদ্ধ করল। অনন্তর সে তাকে হত্যা করল। ফলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল।”
সুরা মায়েদাহ্‌, আয়াত ৩০
হাবীলকে হত্যা করার পর কাবীলের মনে ভয় হল যে, পিতা জানতে পারলে, ইহার বিচার করবেন। একটা অপ্রকাশিত অন্ধকার যেন তার চক্ষুর সম্মুখে জমাট বেঁধে গেল। হাবীলের মৃতদেহ কোথাও দুরে নিক্ষেপ করে ফেলা যায় কি না, তাহা চিন্তা করতে লাগল। কিন্তু কি করবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না। এই অবস্থায় কাবীল দেখতে পেল যে দুইটা কাক পরস্পর মারামারি করতে করতে একটি অপরটিকে মেরে ফেলল। তার পর জীবিত কাকটি ঠোঁক দ্বারা মাটি খুড়িয়ে একটি গর্ত করে ফেলল। কাবীল ব্যাপারটি মনোযোগ সহকারে প্রত্যক্ষ করছে। তার পর মৃত কাকটিকে ঐ গর্তের মধ্যে পুঁতে রেখে উপরে মাটি দিয়ে ঢেকে সমান করে দিয়ে উড়ে চলে গেল। পাপীষ্ট কাবীল এইরূপ দেখে ভাবলঃ আমিও যদি কাকের ন্যায় করি, সে টা কেমন হয়? আমার একটা কাকের বুদ্ধিও নেই। অতঃপর সেও কাকের প্রদর্শিত নিয়মে মাটি খুঁড়ে হাবীলের লাশ মাটির নিচে পুঁতে রেখে চলে গেল।
এ ঘটনাটি আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেছেন। যাহা নিম্নে তুলে ধরা হলো।
উচ্চারণ – فَبَعَثَ اللّهُ غُرَابًا يَبْحَثُ فِي الأَرْضِ لِيُرِيَهُ كَيْفَ يُوَارِي سَوْءةَ أَخِيهِ قَالَ يَا وَيْلَتَا أَعَجَزْتُ أَنْ أَكُونَ مِثْلَ هَـذَا الْغُرَابِ فَأُوَارِيَ سَوْءةَ أَخِي فَأَصْبَحَ مِنَ النَّادِمِينَ
(বাংলা অর্থ ) অতঃপর আল্লাহ তাআলা এমন একটি কাক প্রেরণ করলেন। সে মাটি খনন করছিল যাতে তাকে শিক্ষা দেয় যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ কিভাবে আবৃত করবে। সে বললঃ আফসোস, আমি কি এ কাকের সমতুল্যও হতে পারলাম না যে, আপন ভ্রাতার মৃতদেহ আবৃত করি। অতঃপর সে অনুতাপ করতে লাগল। সুতরাং (উক্ত নিয়মে) স্বীয় ভ্রাতার লাশ গোপন করে ফেলল। আর সে নিজে খুবই লজ্জিত হয়ে গেল।
সুরা মায়েদাহ্‌, আয়াত ৩১
হযরত আদম (আঃ) হাবীলের নিহত হওয়ার সংবাদে ভীষণভাবে দুঃখ পেলেন। কাবীল শাস্তির ভয়ে কোথাও নিখোঁজ হয়ে গেল এবং আল্লাহুর অবাধ্য ও নাফরমান হয়ে রইল। হযরত আদম (আঃ)- এর আরো এক পুত্র ছিল তাঁর নাম শিষ।
হযরত আদম (আঃ)-এর হায়াতের জিন্দেগী শেষ হয়ে আসল, তিনি তাঁর সকল পুত্র-কন্যা ও পৌত্রদের কে ডেকে পরস্পর সমভাবে এবং সৎপথে থাকার চলার উপদেশ দিলেন। তিনি বলিলেন যে, তাঁর মৃত্যুর পর শিষ তাঁর প্রতিনিধি হবেন। তাঁর উপদেশ মত চলার জন্য সকলকে পরামর্শ দিয়ে চির বিদায় নিলেন।
আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) ইন্তেকালের পর হযরত শিষ (আঃ) তাঁর প্রতিনিধি হন।

আল্লাহু মহান

Tuesday, 12 May 2015

◆ পোশাক-পরিচ্ছদের সুন্নাত ও আদব ◆

◆ পোশাক-পরিচ্ছদের সুন্নাত ও আদব ◆

* ছেলেদের জন্য পায়জামা বা প্যান্ট নেছফে ছাক্ব অর্থ্যাত্‍ , পায়ের নলার অর্ধেক পর্যন্ত হওয়া সুন্নত । টাকনুর গিরার উপর পর্যন্ত জায়েয এবং অহংকার বশতঃ টাকনুর নিচে কাপড় পড়লে কবীরা গুনাহ হয় । অহংকার বশতঃ না হলেও এরুপভাবে পরা ঠিক না । কেননা এতে যারা অহংকার বশতঃ পরে তাদের সাথে সাদৃশ্য হয়ে যায় । মহিলাদের জন্য পুরো পা ঢেকে জমিন পর্যন্ত কাপড় ঝুলিয়ে রাখা উত্তম ।
* গোল জামা অধিক সতর রক্ষার সহায়ক বিধায় তাই উত্তম ।
* জামার হাতা কবজি পর্যন্ত হওয়া সুন্নত ।
* পুরুষদের জন্য মহিলাদের পোশাক পড়া এবং মহিলাদের জন্য পুরুষের পোশাক পড়া হারাম ।
* মহিলাদের জন্য শাড়ি জায়েয তবে উত্তম না ।
* প্রাণীর ছবি যুক্ত পোশাক পড়া হারাম ।
* এত খাটো ও টাইট পোশাক পড়া নিষিদ্ধ যাতে শরীরের গোপন অঙ্গ ফুটে ওঠে । এই মাসয়ালা পুরুষদের জন্যও প্রযোজ্য । অনেক পুরুষ এত খাটো এবং টাইট পোশাক পড়ে যে , পোশাক পড়ার পরও নিতম্ব , উরু বোঝা যায় । এবং নড়াচড়া করলে নিতম্ব , পেট দেখা যায় । এমন পোশাক পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে ।
* টাই পরা নিষেধ ৷
* পাগড়ীর ব্যাপারে রাসূল সাঃ বিশেষ কোন নির্দেশ দেন নি । যে যার মত লম্বা পাগড়ী পড়তে পারে । তবে রাসূল পাক সাঃ কখনও বার হাত আবার কখনও সাত হাত লম্বা পাগড়ী পড়তেন ।
* সাদা রংয়ের কাপড় রাসূল পাক সাঃ বেশী পছন্দ করতেন । তাই সাদা রংয়ের পোশাকই সর্বোত্তম । রাসূল পাক সাঃ কাল ও সবুজ রংয়ের পোশাকও ব্যবহার করতেন । তাই নিষিদ্ধ রং ব্যতিত অন্যান্য রংয়ের পোশাকও মাঝে মাঝে ব্যবহার করা মোস্তাহাব ।
* পুরুষদর জন্য কুসুম লাল , হলুদ , জাফরান , গোলাপী অর্থ্যাত্‍ মেয়েলী রংয়ের পোশাক পরা নিষেধ । আর নিরেট লাল অনুত্তম । মহিলাদের জন্য সব রংয়ের পোশাক পরা জায়েয ।
* কাল রংয়ের পাগড়ী পড়া মোস্তাহাব ।
* পুরুষের জন্য রেশমী পোশাক পরা নিষেধ । তবে যে কাপড়ের দৈর্ঘের সুতা রেশমের কিন্তু প্রস্থের সুতা রেশনের না - এমন কাপড় ব্যবহার করা জায়েয ।
* যে কাপড়ে শরীর দেখা যায় এমন পাতলা কাপড় পরিধান করা না করারই হুকুম রাখে ।
* হারাম উপায়ে অর্জিত পোশাক বা হারাম উপায়ে অর্জিত সম্পদ দিয়ে ক্রয় করা পোশাক পরিধান করা হারাম ।
* অহংকার প্রদর্শন বা বিলাসিতার নিয়তে উচ্চমানের পোশাক পরিধান করা শরীয়তের দৃষ্টিতে নিন্দনীয় ।
* তাওয়াযু বা বিনয়ের উদ্দেশ্যে নিম্নমানের পোশাক , পুরাতন কিংবা ছেঁড়া ফাটা ও তালিযুক্ত পোশাক পরিধান করা উত্তম । তবে এরুপ পোশাক দেখে লোকে দরবেশ বা আত্নভোলা বলবে কিংবা বিনয়ী ও দুনিয়া ত্যাগী মনে করবে - এমন রিয়া বা লোক দেখানোর নিয়ত থাকলে সেটাও এক প্রকার অহংকার বিধায় তা নিন্দনীয় ।
* আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন সেই সম্পদের বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর এবং শোকর আদায়ের জন্য কৃপনতা পরিহার করে উত্তম পোশাক পরিধান করা প্রশংসনীয় ।
* কাপড় যেমন মানেরই হোক না কেন তা সর্বদা পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা শরীয়তের কাম্য ।
* সতর ঢাকা , শারিরিক দোষ-ত্রুটি ঢাকা ও সৌন্দর্য লাভের নিয়তে পোশাক পরিধান করা । অহংকারের উদ্দেশ্যে পোশাক পরা হারাম ।
* কামিজ , সেমিজ, বক্ষবন্ধনী, স্যান্ডো গেন্জি, জামা , কোর্তা ইত্যাদি পরিধান করতে প্রথমে ডান হাত তারপর বাম হাত ঢুকানো সুন্নাত । এমনিভাবে পায়জামা , প্যান্ট ইত্যাদি পরিধান করতে প্রথমে ডান পা পরে বাম পা ঢুকানো সুন্নাত । এবং খোলার এর বিপরীত প্রথমে বাম হাত/পা পরে ডান হাত/পা বের করা । মোজা , জুতা ইত্যাদির ক্ষেত্রেও এরুপ করা সুন্নাত ।
* একই সময়ে জামা ও পায়জামা পরতে হলে প্রথমে জামা পরা এরপর পায়জামা পরা উত্তম ।
* মহিলাদের জন্য পুরো পা ঢেকে মাটি পর্যন্ত কাপড় ঝুলিয়ে পরা উত্তম ৷ এতটা ঝুলিয়ে দেয়া যেন পায়ের কোন অংশ দেখা না যায় ৷
* পাগড়ীর নিচে টুপি পরা সুন্নাত । টুপি ব্যতিত পাগড়ী পরা সুন্নাতের খেলাফ । নামাযের সময় মাথার মাঝখানে খোলা রাখা মাকরুহ ।
* পাগড়ী গোল করে বাঁধা অথবা শামলা (বর্ধিত অংশ) ছেড়ে বাঁধা উভয়ই সুন্নাত । শামলা ডানে বা পেছনের দিকে অথবা একই সাথে উভয় দিকে ছেড়ে দেয়া যায় । বাম দিক শামলা ছাড়ার প্রমাণ নাই বিদায় উলামায়ে কেরাম সেটাকে বিদআত বলেছেন । শামলা আধহাত , এক হাত বা তার বেশী পরিমাণ রাখা যায় ।
* পায়জামা বসে পরিধান করা ভাল , অন্যথায় স্বাস্থ্যগত অসুবিধা হতে পারে । লুঙ্গি মাথার উপর দিক থেক এবং পাগড়ী দাড়িয়ে পরিধান করা ।
* পোশাক খোলার পর এলোমেলো না রেখে গুছিয়ে রাখা । অগোছালো কোন কিছুই শরীয়তে পছন্দ না ।
* নতুন কাপড় পরিবর্তন করলে পুরাতন কাপড় দান করে দেয়া উত্তম ।
আবু মুআইম (র)......ইবন উমর
(রাঃ) থেকে বর্নিত । তিনি
বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) নিষেধ
করেছেন, মুহরিম ব্যক্তি যেন ওয়ারস
ঘাসের কিংবা যাফরানের রং
দ্বারা রঙ্গিত কাপড় না পরে ।
★ আরোও কিছু হারাম কাজ, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে যেগুলোর প্রধান্য দেখা যায়
►কৃত্রিম চুল সংযোজন করা বা করানো
►উলকি (tattoo) আঁকা বা আঁকানো
►সৌন্দর্যের জন্য ভ্রু চেঁছে ফেলা বা ফেলানো
►দাঁত চেঁছে সরু করা বা করানো
►আল্লাহ্‌র সৃষ্টিতে পরিবর্তন করা হারাম
►জাঁকজমকপূর্ণ পোষাক পরে গর্বভরে চলা হারাম
►এছাড়া পুরুষের জন্য হলুদ রং এর পোষাক পরা হারাম [সহীহ মুসলিম]

★★★কবিরা গুনাহ★★★

★★★কবিরা গুনাহ★★★

→১ টা কবিরা গুনার জন্য ৭ হাজার বছর জাহান্নামে যেতে হবে। যেমন:> যার সঙ্গে দেখা করা যায়েজ নাই ইচ্ছা করিয়া দেখা করা কবিরা গুনা। গান শুনা কবিরা গুনা। বিড়ি খাওয়া কবিরা গুনা। দাড়ি কাঠা কবিরা গুনা। মিথ্যা কথা বলা কবিরা গুনা, সুদ খাওয়া কবিরা গুনা, ইত্যাদি।

★★কবিরা গুনা তওবা ছাড়া মাফ হয় না★★

★★কবীরা গুনাহ কাকে বলে?

কবীরা গুনাহ বলা হয় ঐ সকল বড় বড় পাপকর্ম সমূহকে যেগুলোতে নিন্মোক্ত কোন একটি বিষয় পাওয়া যাবে:
★যে সকল গুনাহের ব্যাপারে ইসলামে শরীয়তে জাহান্নামের শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
★যে সকল গুনাহের ব্যাপারে দুনিয়াতে নির্ধারিত দণ্ড প্রয়োগের কথা রয়েছে।
★যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা রাগ করেন।
★যে সকল কাজে আল্লাহ তায়ালা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও ফেরেশতা মণ্ডলী লানত দেন।
★যে কাজের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে এমনটি করবে সে মুসলমানদের দলভুক্ত নয়।
কিংবা যে কাজের ব্যাপারে আল্লাহ ও রাসূলের সাথে সম্পর্কহীনতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
★যে কাজে দ্বীন নাই, ঈমান নাই ইত্যাদি বলা হয়েছে।
★যে ব্যাপারে বলা হয়েছে এটি মুনাফিকের আলামত বা মুনাফিকের কাজ।
অথবা যে কাজকে আল্লাহ তায়ালা সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করা হয় করা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকার মর্যাদাঃ

১. মহান আল্লাহ বলেন:

إِن تَجْتَنِبُوا كَبَائِرَ مَا تُنْهَوْنَ عَنْهُ نُكَفِّرْ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَنُدْخِلْكُم مُّدْخَلًا كَرِيمًا

“যেগুলো সম্পর্কে তোমাদের নিষেধ করা হয়েছে যদি তোমরা সেসব বড় গোনাহ গুলো থেকে বেঁচে থাকতে পার। তবে আমি তোমাদের (ছাট) গুনাহ সমূহ ক্ষমা করে দেব এবং সম্মান জনক স্থানে তোমাদের প্রবেশ করাব।” (সূরা নিসা: ৩১)

২. রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন:

الصلوات الخمس . والجمعة إلى الجمعة . ورمضان إلى رمضان . مكفرات ما بينهن إذا اجتنب الكبائر

“পাঁচ ওয়াক্ত নামায, এক জুমআ থেকে আরেক জুমআ এবং এক রামাযান থেকে আরেক রামাযান এতদুভয়ের মাঝে সংঘটিত সমস্ত পাপরাশীর জন্য কাফফারা স্বরূপ যায় যদি কবীরা গুনাহ সমূহ থেকে বেঁচে থাকা যায়।” (মুসলিম)

★★১০০টি কবীরা গুনাহ:
★আল্লাহর সাথে শিরক করা
★নামায পরিত্যাগ করা
★পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া
★অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা
★পিতা-মাতাকে অভিসম্পাত করা
★যাদু-টোনা করা
★এতীমের সম্পদ আত্মসাৎ করা
★জিহাদের ময়দান থেকে থেকে পলায়ন করা
★সতী-সাধ্বী মু‘মিন নারীর প্রতি অপবাদ দেয়া
★রোযা না রাখা
★যাকাত আদায় না করা
★ক্ষমতা থাকা সত্যেও হজ্জ আদায় না করা
★যাদুর বৈধতায় বিশ্বাস করা
★প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া
★অহংকার করা
★চুগলখোরি করা (ঝগড়া লাগানোর উদ্দেশ্যে একজনের কথা আরেকজনের  নিকট লাগোনো)
★আত্মহত্যা করা
★আত্মীয়তা সম্পর্ক ছিন্ন করা
★অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ ভক্ষণ করা
★উপকার করে খোটা দান করা
★মদ বা নেশা দ্রব্য গ্রহণ করা
★মদ প্রস্তুত ও প্রচারে অংশ গ্রহণ করা
★জুয়া খেলা
★তকদীর অস্বীকার করা
★অদৃশ্যের খবর জানার দাবী করা
★গণকের কাছে ধর্না দেয়া বা গণকের কাছে অদৃশ্যের খবর জানতে চাওয়া
★পেশাব থেকে পবিত্র না থাকা
★রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নামে মিথ্যা হাদীস বর্ণনা করা
★মিথ্যা স্বপ্ন বর্ণনা করা
★মিথ্যা কথা বলা
★মিথ্যা কসম খাওয়া
★মিথ্যা কসমের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা
★জিনা-ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া
★সমকামিতায় লিপ্ত হওয়া
★মানুষের গোপন কথা চুপিসারে শোনার চেষ্টা করা
★হিল্লা তথা চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে করা।
★যার জন্যে হিলা করা হয়
★মানুষের বংশ মর্যাদায় আঘাত হানা
★মৃতের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে ক্রন্দন করা
★মুসলিম সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা
★মুসলিমকে গালি দেয়া অথবা তার সাথে লড়ায়ে লিপ্ত হওয়া
★খেলার ছলে কোন প্রাণীকে নিক্ষেপ যোগ্য অস্ত্রের লক্ষ্য বস্তু বানানো
★কোন অপরাধীকে আশ্রয় দান করা
★আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু জবেহ করা
★ওজনে কম দেয়া
★ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা
★ইসলামী আইনানুসারে বিচার বা শাসনকার্য পরিচালনা না করা
★জমিনের সীমানা পরিবর্তন করা বা পরের জমি জবর দখল করা
★গীবত তথা অসাক্ষাতে কারো দোষ চর্চা করা
★দাঁত চিকন করা
★সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে মুখ মণ্ডলের চুল তুলে ফেলা বা চুল উঠিয়ে ভ্রু চিকন করা
★অতিরিক্ত চুল সংযোগ করা
★পুরুষের নারী বেশ ধারণ করা
★নারীর পুরুষ বেশ ধারণ করা
★বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কামনার দৃষ্টিতে তাকানো
★কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করা
★পথিককে নিজের কাছে অতিরিক্ত পানি থাকার পরেও না দেয়া
★পুরুষের টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে পোশাক পরিধান করা
★মুসলিম শাসকের সাথে কৃত বাইআত বা আনুগত্যের শপথ ভঙ্গ করা
★ডাকাতি করা
★চুরি করা
★সুদ লেন-দেন করা, সুদ লেখা বা তাতে সাক্ষী থাকা
★ঘুষ লেন-দেন করা
★গনিমত তথা জিহাদের মাধ্যমে কাফেরদের নিকট থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বণ্টনের পূর্বে আত্মসাৎ করা
★স্ত্রীর পায়ু পথে যৌন ক্রিয়া করা
★জুলুম-অত্যাচার করা
★অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখানো বা তা দ্বারা কাউকে ইঙ্গিত করা
★প্রতারণা বা ঠগ বাজী করা
★রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ আমল করা
★স্বর্ণ বা রৌপ্যের তৈরি পাত্র ব্যবহার করা
★পুরুষের রেশমি পোশাক এবং স্বর্ণ ও রৌপ্য পরিধান করা
★সাহাবীদের গালি দেয়া
★নামাযরত অবস্থায় মুসল্লির সামনে দিয়ে গমন করা
★মনিবের নিকট থেকে কৃতদাসের পলায়ন
★ভ্রান্ত মতবাদ জাহেলী রীতিনীতি অথবা বিদআতের প্রতি আহবান করা
★পবিত্র মক্কা ও মদীনায় কোন অপকর্ম বা দুষ্কৃতি করা
★কোন দুষ্কৃতিকারীকে প্রশ্রয় দেয়া
★আল্লাহর ব্যাপারে অনধিকার চর্চা করা
★বিনা প্রয়োজনে তালাক চাওয়া
★যে নারীর প্রতি তার স্বামী অসন্তুষ্ট
★স্বামীর অবাধ্য হওয়া
★স্ত্রী কর্তৃক স্বামীর অবদান অস্বীকার করা
★স্বামী-স্ত্রীর মিলনের কথা জনসম্মুখে প্রকাশ করা
★স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিবাদ সৃষ্টি করা
★বেশী বেশী অভিশাপ দেয়া
★বিশ্বাস ঘাতকতা করা
★অঙ্গীকার পূরণ না করা
★আমানতের খিয়ানত করা
★প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া
★ঋণ পরিশোধ না করা
★বদ মেজাজি ও এমন অহংকারী যে উপদেশ গ্রহণ করে না
★তাবিজ-কবজ, রিং, সুতা ইত্যাদি ঝুলানো
★পরীক্ষায় নকল করা
★ভেজাল পণ্য বিক্রয় করা
★ইচ্ছাকৃত ভাবে জেনে শুনে অন্যায় বিচার করা
★আল্লাহ বিধান ব্যতিরেকে বিচার-ফয়সালা করা
★দুনিয়া কামানোর উদ্দেশ্যে দীনী ইলম অর্জন করা
★কোন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে জানা সত্যেও তা গোপন করা
★নিজের পিতা ছাড়া অন্যকে পিতা বলে দাবী করা
★আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়া

★★বিড়ি_সিগারেট_হারাম_হওয়ার_কারণ★★

শরীয়তের বিধানের সকল কিছুর স্পষ্ট দলীল নেই। আর না থাকলে কোন জিনিস যে হালাল, তা নয়। শরীয়তের স্পষ্ট উক্তিসমুহ থেকে ফকীহগন এমন কিছু নীতি নির্ণয় করেন, যার দ্বারা বলা যায় কোনটা হালাল, আর কোনটা হারাম। যে সকল নীতির মাধ্যমে বিড়ি-সিগারেটকে হারাম করা হয়, তার কিছু নিম্নরুপঃ-

(ক) এতে রয়েছে অনর্থক অর্থ অপচয়। আর ইসলামে অপচয় হারাম।
(খ) এতে রয়েছে স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। আর যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ইসলামে তা হারাম।
(গ) বেশি পরিমাণ পান করলে, তাতে জ্ঞানশূন্যতা আসতে পারে। আর যাতে নেশা, মাদকতা ও জ্ঞানশূন্যতা আসে, ইসলামে তা হারাম।

(ঘ) এতে দুর্গন্ধ আছে। এর দুর্গন্ধে অধূমপায়ীরা কষ্ট পায়। সুতরাং তা পবিত্র জিনিস নয়। আর ইসলাম পবিত্র জিনিস খাওয়াকে হালাল এবং অপবিত্র জিনিস খাওয়াকে হারাম ঘোষণা করেছে।

‪★★সুদী_ব্যাংকে_চাকুরী_করা_হারাম‬★★

সুদী ব্যাংকে যে কোন চাকুরী করা হারাম। যেহেতু এতে চাকুরী করার অর্থই হল সূদের উপর সহায়তা করা। অতএব যদি সূদী কারবারের উপর সহায়তা হয়, তাহলে সে (চাকুরে) সহায়ক হিসেবে অভিশাপে শামিল হবে। নবী (সঃ) সুদখোর, সুদদাতা, তার সাক্ষিদাতা ও তার লেখককে অভিসাম্পত করেছেন এবং বলেছেন, “ওরা সবাই সমান।” (মুসলিম ১৫৯৮ নং)

পক্ষান্তরে এ কাজ যদি সুদী কারবারের উপর সহায়ক না হয়, তাহলেও উক্ত কারবারে তার সম্মতি ও মৌন সমর্থন প্রকাশ পায়। তাই সুদী ব্যাংকে কোন প্রকার চাকুরী নেওয়া বৈধ নয়।
বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংকই কম বেশী সুদী কারবারে জড়িত হওয়ায় সেখানে যে কোন চাকুরী
করা হারাম।
অবশ্য প্রয়োজনে ওই ব্যাংকে টাকা জমা রাখায় ক্ষতি নেই--- যদি ওই সমস্ত ব্যাংক ছাড়া টাকা জমা রাখার জন্য আমরা অন্য ভিন্ন কোন নিরাপদ স্থান না পাই। তবে এই শর্তে যে, তা থেকে যেন কেউ সুদ গ্রহণ না করে। যেহেতু সুদ গ্রহণ অবশ্যই হারাম।
‪★‎আল্লাহর_গুণাবলী_মানুষের_গুণাবলীর_মতই_বিশ্বাস_কবীরা_গুণাহ্‬★
যে ব্যক্তি এই বিশ্বাস পোষণ করবে যে, আল্লাহর সিফাত তথা গুণাবলী মানুষের গুণাবলীর মতই
সে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে। কেননা কুরআনের ভাষ্য অনুযায়ী আল্লাহর গুণাবলী মানুষের গুণাবলীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়। আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ-
“তাঁর অনুরূপ আর কেউ নেই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।” (সূরা শুরাঃ ১১)
দু’টি জিনিষের নাম ও গুণ এক হলেই জিনিষ দু’টি সকল দিক থেকে এক হওয়া জরুরী নয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি। মানুষের মুখমন্ডল আছে। উটেরও মুখমন্ডল আছে। মুখ দু’টি কি একই রকম? কখনই নয়। অনুরূপভাবে উটের হাত আছে পিপিলিকারও হাত আছে। হাত দু‘টি কি সমান? তাহলে কেন আমরা বলব না যে, আল্লাহর চেহারা আছে। তা মাখলুকাতের চেহারার অনুরূপ নয়। আল্লাহর হাত আছে। কিন্তু তা মানুষের হাতের মত নয়। আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “তারা যথার্থভাবে আল্লাহর ক্ষমতা ও সম্মান বুঝতে পারেনি। কিয়ামতের দিন গোটা পৃথিবী থাকবে তাঁর
হাতের মুঠোতে এবং আসমানসমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে।” (সূরা যমারঃ
৬৭)
★ আল্লাহ আরো বলেনঃ
“সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেভাবে গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র।” (সূরা আম্বিয়াঃ ১০৪)
কোন মাখলুকের কি এধরণের হাত রয়েছে? কখনই নয়। সুতরাং আমাদের জেনে রাখা উচিৎ যে, যিনি সৃষ্টিকর্তা তিনি সৃষ্টিজীবের মত নন। না সত্বায় না গুণাবলীতে।
★ “তাঁর মত আর কেউ নেই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।” (সূরা শুরাঃ ১১)
এই জন্যই আল্লাহর কোন সিফাতের ধরণ গঠন বা প্রকৃতি অনুসন্ধান করা ঠিক নয়। কিংবা এরকম ধারণা করা ঠিক নয় যে, আল্লাহর গুণসমূহ মানুষের গুণাবলীর মতই।

★ আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন:
‘‘তাদের পর আসলো (অপদার্থ) বংশধর। তারা সালাত
নষ্ট করল ও লালসার বশবর্তী হল,
সুতরাং তারা অচিরেই কু-কর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ
করবে। কিন্তু তারা নয় যারা তওবা করেছে, ঈমান
এনেছে ও নেক কাজ করেছে।’’ (মারইয়াম ৫৯-৬০)
হাদীসে বর্ণিত আছে।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ
করেন- ‘‘কোন মুমিন ব্যক্তি এবং শিরক ও কুফরের
মধ্যে পার্থক্য হল সালাত ত্যাগ করা।’’ (মুসলিম)
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বলেছেন, ‘‘আমাদের ও তাদের মধ্যে পার্থক্য হল সালাত, যে তা পরিত্যাগ করল সে কাফের
হয়ে গেল।’’ (আহমাদ:২১৮৫৯)

★কবিরা গুনাহ থেকে দূরে থাকতে হবে কেন?
------------------------------------------

কবীরা গোনাহ সমূহ থেকে বিরত
থাকলে,
ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দেবে:
মহান আল্লাহ বলেন, ﺇِﻥْ ﺗَﺠْﺘَﻨِﺒُﻮْﺍ ﻛَﺒَﺎﺋِﺮَ ﻣَﺎ
ﺗُﻨْﻬَﻮْﻥَ ﻋَﻨْﻪُ ﻧُﻜَﻔِّﺮْ ﻋَﻨْﻜُﻢْ ﺳَﻴِّﺌَﺎﺗِﻜُﻢْ ﻭَﻧُﺪْﺧِﻠْﻜُﻢْ ﻣُﺪْﺧَﻼً ﻛَﺮِﻳْﻤًﺎ
‘যদি তোমরা কবীরা গোনাহ সমূহ
থেকে বিরত থাক,
তাহ’লে আমরা তোমাদের (ছোট
খাট)
ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দেব
এবং তোমাদেরকে সম্মানজনক
গন্তব্যে প্রবেশ
করাব’ (নিসা ৪/৩১)।
তিনি আরো বলেন, ﺍَﻟَّﺬِﻳْﻦَ ﻳَﺠْﺘَﻨِﺒُﻮْﻥَ ﻛَﺒَﺎﺋِﺮَ ﺍﻟْﺈِﺛْﻢِ
ﻭَﺍﻟْﻔَﻮَﺍﺣِﺶَ ﺇِﻻَّ ﺍﻟﻠَّﻤَﻢَ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻭَﺍﺳِﻊُ ﺍﻟْﻤَﻐْﻔِﺮَﺓِ ‘যারা বড়
বড় গোনাহ ও অশ্লীলকার্য
থেকে বেঁচে থাকে ছোটখাট
অপরাধ করলেও নিশ্চয়ই তোমার
পালনকর্তার ক্ষমা সুদূর
বিস্তৃত’ (নাজম ৫৩/৩২)।
আবু হুরায়রাহ (রাঃ)
হ’তে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ
(ছাঃ) বলেন, ﺍﻟﺼَّﻠَﻮَﺍﺕُ ﺍﻟْﺨَﻤْﺲُ ﻭَﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔُ ﺇِﻟَﻰ
ﺍﻟْﺠُﻤُﻌَﺔِ ﻭَﺭَﻣَﻀَﺎﻥُ ﺇِﻟَﻰ ﺭَﻣَﻀَﺎﻥَ ﻣُﻜَﻔِّﺮَﺍﺕٌ ﻣَﺎ ﺑَﻴْﻨَﻬُﻦَّ ﺇِﺫَﺍ
ﺍﺟْﺘَﻨَﺐَ ﺍﻟْﻜَﺒَﺎﺋِﺮَ ‘পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত
এবং এক জুম‘আ থেকে অপর জুম‘আ, এক
রামাযান থেকে অপর রামাযান এর
মাঝে যত গোনাহ করা হয়, সবগুলির
কাফফারাহ হয়। যদি কবীরা গুনাহ
থেকে বিরত থাকে’।