Wap4dollar.com

Saturday, 15 August 2015

★কোরআনের আলোতে: এলিয়েন বলতে আসলেই কি কিছু আছে -

★কোরআনের আলোতে: এলিয়েন বলতে আসলেই কি কিছু আছে -

এলিয়েন বলতে আসলেই কি কিছু আছে ?

আসুন দেখি আল কোরআন কি বলে। পৃথিবী ব্যাতিত আর কোন গ্রহে এখন পর্যন্ত কোন প্রানের অস্তিত্ব আবিষ্কৃত হয়নি।প্রানের সন্ধানে পৃথিবীর বাঘা বাঘা সব বিজ্ঞানী মকাশ জুড়ে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। পৃথিবীর বাইরে অনেক গ্রহই আবিষ্কৃত হয়েছে।

কিন্তু এদের সম্পর্কে কোন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না কারণ এদের অনেকেই তাদের নক্ষত্রের খুব কাছে অবস্থিত। যার কারনে এত দূর থেকে আলোর মাধ্যমে এদের বৈশিষ্ট্য বোঝা কঠিন।

আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে অতি শীঘ্রই যে আমরা এসব জানতে পারব তাতে কোনই সন্দেহ নেই। কোন একটা গ্রহে যদি প্রানের সন্ধান পাওয়া যায় তা কি খুব বিস্ময়কর হবে ?

“And among His signs is the creation of the heavens and the earth and the living creatures that

He has scattered through them and He has power to gather them together when He wills”

“তাঁর ইঙ্গিত সমুহের একটি –নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের সৃষ্টি এবং এদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া জীব। তিনি যখন ইচ্ছা এদেরকে একত্র করতে সক্ষম।” (আস শুরাঃ ২৯)

“Allah is He Who created the seven heavens and the earth in equal number

“তিনি আল্লাহ যিনি সপ্ত আকাশ সৃষ্টি করেছেন এবং সমসংখ্যক (৭টি) পৃথিবীও সৃষ্টি করেছেন।” ( তালাক্বঃ ১২) সুবহানআল্লাহ !! এই আয়াত দুটো হতে কি বোঝা যায়? পৃথিবীতে জীবন ধারনের জন্য যেমন পরিবেশ রয়েছে, এমন পরিবেশ বিশিষ্ট আরও অন্তত ৬টি গ্রহ এই মহাকাশে আছে।

যেখানে তিনি প্রাণ ছড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি চাইলেই এদের সবাইকেই একত্র করতে সক্ষম। এই গ্রহ গুলো আমরা এখনও আবিষ্কার করতে পারিনি। যাই হোক, এটা তো স্পষ্ট যে এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণী নিশ্চয়ই আছে ।

যা একদিন আবিষ্কৃত হবেই। এত নিদর্শন থাকার পরও যারা ইসলামকে উপলব্ধি করতে পারছে না, তাদের চেয়ে বড় দুর্ভাগা আর কে আছে ?

★★হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, নিম্নমানের একজন বেহেশতির জন্য আশি.....

★★হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, নিম্নমানের একজন বেহেশতির জন্য আশি হাজার খাদেম ও বাহাত্তরজন স্ত্রী থাকবে -
প্রখ্যাত সাহাবা হযরত আবু মুসা আশ’আরী (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, নিঃসন্দেহে বেহেশতে মুমিনের জন্য এমন তাঁবু থাকবে যা হচ্ছে মতির তৈরি (মতি অনেক বড় হবে) এবং ভিতর দিক থেকে ফাঁপা।

এক রেওয়ায়েতে আছে যে, তার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল এবং তার আনাচে-কানাচে মুমিনদের জন্য নিয়োজিত রমণীকূল ও খাদেমরা থাকবে। আর তার কোণসমূহের মধ্যে এত দূরত্ব থাকবে যে, এক কোণের লোক অন্য কোণের লোকের নজরে পড়বে না।

তাদের কাছে ঈমানদারগণ আসা-যাওয়া করতে থাকবে। [তারপর হুজুর (সা.) এরশাদ করেন, মুমিনদের জন্য] এমন দুটি উদ্যান রয়েছে যে, তার বাসনপত্র এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সবই রুপার তৈরি এবং আরো দুটি উদ্যান রয়েছে, যা সোনার তৈরি। তার বাসনপত্র এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সবই সোনার তৈরি। (বোখারী, মুসলিম)

হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, নিম্নমানের একজন বেহেশতির জন্য আশি হাজার খাদেম এবং বাহাত্তরজন স্ত্রী থাকবে।

আর তার জন্য এমন একটি তাঁবুর ব্যবস্থা করে দেয়া হবে যা মতি যাবারজদ ও ইয়াকুত পাথরের তৈরি। আর তার দৈর্ঘ্য-প্রস্থের ব্যবধান হবে সিরিয়ার যাবিয়া থেকে ইয়েমেনের সানআর মধ্যকার দূরত্বের সমান।

★★যে দুই কারণে অধিকাংশ মানুষ জাহান্নামী হবে -

★★যে দুই কারণে অধিকাংশ মানুষ জাহান্নামী হবে -

মহান আল্লাহ তায়ালা নবী রাসূল (সা.)-এর উম্মতদের জন্য রমজান মাস দিয়েছেন। যাতে করে মানুষ সারা বছরের পাপ থেকে মুক্তি লাভ করে। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রিয় নবী রাসূল (সা.)-এর উম্মতদের জন্য জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা সহজ করে দিয়েছেন। আর জাহান্নামের যাওয়ার রাস্তা করেছেন অনেক কঠিন। তাইতো পবিত্র বা নেক কোন কাজের নিয়্যত করলে আমল নামায় সওয়াব যোগ হতে থাকে। অন্যদিকে খারাপ কাজ সংগঠিত হওয়ার পরেই কেবল তা পাপে পরিণত হয়।

চলার পথে অনেক মানুষ এমন কিছু করে থাকে, যার জন্য সে জাহান্নামের আগুনে সারাজীবন জ্বলবে। আসুন জেনে নিই কোন দুটি কাজের জন্য অধিকাংশ মানুষই জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদীসে উল্লেখ আছে, নবী কারীম (সা.) বলেন, সবচেয়ে বেশি যে বস্তু মানুষকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাবে তা দুটি ফাকা জায়গা আর তা হলো ১. লজ্জা স্থান ২. মুখ ( জিহ্বা )
অর্থ্যাৎ যারা (নর-নারী) তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে না তারাই জাহান্নামী।

* ঈদুল ফিতরের দিন ১৩টি সুন্নত।

*** ঈদুল ফিতরের দিন ১৩টি সুন্নত।
১. ভোরে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠা।
২. মেস্ওয়াক করা।
৩. গোসল করা।
৪. যথাসাধ্য উত্তম পোশাক পরিধান করা।
৫. শরীয়ত-সম্মত সাজসজ্জা করা।
৬. খুশবু লাগানো।
৭. ঈদগাহ যাওয়ার পূর্বে কোন মিষ্টি-দ্রব্য
খেয়ে নেওয়া।
৮. আগে আগে ঈদগাহে যাওয়া।
৯. ঈদগাহ যাওয়ার পূর্বে সদকায়ে ফিতির (ফেতরা)
না দিয়ে থাকলে দিয়ে যাওয়া।
১০. ঈদগাহে গিয়ে ঈদের নামায পড়া।
বিনা ওযরে ঈদের নামায মসজিদে না পড়া।
১১. পায়ে হেঁটে ঈদগাহে যাওয়া।
১২. যাওয়ার সময় এই তাকবীর
আস্তে আস্তে পড়তে পড়তে যাওয়া-
ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ ﻻﺍﻟﻪ ﺍﻻﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ
ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ
ﻭﻟﻠﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ
“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-
ইলাহা ইল্লালাহু ওয়াল্লাহু আকবার। আল্লাহু
আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ্।”
১৩. এক রাস্তায় যাওয়া, অন্য
রাস্তা দিয়ে প্রত্যাবর্তনকরা ।

★ শুধু পবিত্র আযানের ধ্বনিতে ফোটে যে ফুল! জানুন যত অজানা রহস্য!

★ শুধু পবিত্র আযানের ধ্বনিতে ফোটে যে ফুল! জানুন যত অজানা রহস্য!
আযান ফুল। হ্যাঁ, মুসলমানদের নামাজের জন্য যে আযান, তার কথাই বলছি। আর এ নামেই রয়েছে বিস্ময়কর একটি ফুল। প্রকৃতির অনেক অদ্ভুত আচরণ আছে। যার বৈজ্ঞানিক তেমন কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। আর প্রকৃতির আচরণ যদি ধর্মীয় কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে, তবে বলতেই হয়, সৃষ্টিকর্তার কী অপার মহিমা! তেমনই একটি ফুল আযান ফুল। এই ফুল ফোটে আযানের ধ্বনিতে।

সিএনএন-এর রিপোর্ট বলা হয়, আজারবাইজানের এক মুসলিম গ্রামে মোহাম্মদ রহিমের বাগানে এক ধরনের ফুল রয়েছে, যা  আযানের ধ্বনিতে ফোটে। এই ফুল প্রতি পাঁচ ওয়াক্তে আযানের ধ্বনিতে ফোটে। আযানের পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। আযানের প্রতিটি বাণীর ছন্দে ফুলগুলো প্রস্ফুটিত হয়। ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব এবং এশা প্রত্যেক ওয়াক্তে আযানের বাণী যেনো ফুলগুলোকে জাগ্রত করে ইবাদতের জন্য। আর তাই ফুলটির নাম দেওয়া হয়েছে আযান ফুল। পৃথিবীর হয়তো বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে এই  বিরল প্রজাতির আযান ফুল।

★★ ইসলামে কেন দাবা খেলার অনুমতি নাই ? রহস্যটা কোথায় ?

★ ইসলামে কেন দাবা খেলার অনুমতি নাই ? রহস্যটা কোথায় ?
মুসাদ্দাদ (র)…. বুরায়দাহ (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেনঃ নবী করীম (সা)
বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শতরঞ্চ বা দাবা খেলে, সে যেন তার হাতকে শূকরের গোশত ও
রক্তের মধ্যে প্রবেশ করায় । [প্রমান দেখুনঃ সহীহ মুসলিম শরীফ , ৫ম খন্ড ,
৪২ তম পর্ব , ১ম অধ্যায় , হাদীস নং- ১০/২২৬০ (ফুয়াদ আল বাকীর মূল আরবী […]

মোঃ নাঈম নওরোজ

Wednesday, 12 August 2015

নামাজের ফরজ ও ওয়াজিব সমূহ

★ নামাজের ফরজ ও ওয়াজিব সমূহঃ

নামাযের প্রধান মাসয়ালা মাসায়েল নামাযের নিয়ম-কানুন ও মাসয়ালা-মাসাযেল অনেক। নামায শিক্ষার বইতে তা পাওয়া যায়। এখানে এ বিষয়ে শুধু বিশেষ জরুরী কথাগুলো পেশ করা হচ্ছে :
নামাযের ফরয ও ওয়াজিব কয়টি তা ভালভাবে জানা প্রয়োজন। ফরয ও ওযাজিব ছাড়া বাকী সবই সুন্নাত ও মুস্তাহাব। ফরয ও ওয়াজিবগুলো চিনে নিলেই চলে এ সম্পর্কে তিনটি কথা জরুরী।
১. নামাযে কোন ফরয ভুলে বাদ পড়ে গেলে আবার নতুন করে নামায পড়তে হবে।
২. নামযে কোন এক বা একাধিক ওয়াজিব ভুলে বাদ পড়ে গেলে নামায শেষ করার আগে সহু সিজদা দিলেই নামায হয়ে শুদ্ধ যাবে।
৩. ফরয ও ওয়াজিব ছাড়া অন্য কিছু বাদ পড়ে গেলেও নামায নষ্ট হবে না; যদিও ত্রুটিযুক্ত হবে।
তাই কোনটা কোনটা ফরয আর কোনটা কোনটা ওয়াজিব তা না জানলে সঠিকভাবে নামায আদায় করা সম্ভব নয়।

নামাযে ১৪টি ফরয নামাযে মোট চৌদ্দটি ফরযের মধ্যে নামায শুরুর আগেই ৭টি ফরয, আর নামাযের ভেতরে ৭টি ফরয ।


(ক) নামাযের বাইরের ৭টি ফরয :
শরীর পাক, পরনের কাপড় পাক, নামায পড়ার স্থান পাক, সতর ঢাকা, কিবলা রোখ হওয়া, ওয়াক্ত চিনে নামায পড়া ও নিয়াত করা।


(খ) নামাযের ভিতরের ৭টি ফরয :
তাকবীর তাহরীমা, দাঁড়ানো, কিরাআত, রুকু, সিজদা, শেষ বসা ও মুসল্লীর ব্যক্তিগত কাজের মাধ্যমে নামায শেষ করা ।এক্ষেত্রে সালাম সর্বোওম কাজ।


সব নামাযে মোট ১১টি ওয়াজিব

১. সূরা ফাতিহা পড়া,

২. সূরা ফাতিহার পর কুরআনে আরও কিছু পড়া,

৩. রুকুতে কিছুক্ষণ বিলম্ব করা,

৪. রুকুথেকেউঠে স্থিও হয়ে দাঁড়ানো

৫. সিজদায় কিছুণ বিলম্ব্ করা,

৬. দু’ সিজদার মাঝে স্থির হয়ে বসা

৭. প্রত্যেক বৈঠকে তাশাহুদ পড়া,

৮. সালাম শব্দ দ্বারা নামায শেষ করা,

৯. ফরয ও ওয়াজিবগুলো তারতীব মতো আদায় করা,

১০. ফরয নামাযে ফজর, মাগরিব ও ইশায় আওয়াজ করে কিরাআত পড়া এবং যোহর ও আসরে আওয়াজ না করা।

১১. তা’দীলে আরকান অর্থাৎ নামাযের রুকনসমূহ (কিরাআত, রুকু, সিজদা ) ধীরে সুস্থে আদায় করা ।



★ অতিরিক্ত আরও ৩টি ওয়াজিব

১. তিন ও চার রাকাআতের নামাযে দুরাকাআতের পর বসা।

২. বিতরের নামাযে দোয়া কুনুত পড়া।

৩. দু ঈদের নামাযে তাকবীর পড়া

আসুন এই নিয়ম গুলা মেনে নামাজ কায়েম করি ........…….

★ নামাযের আরকানসমূহ
১। (ফরয নামাযে) সামথ্য হলে কিয়াম (দাঁড়ানোর সময় দাঁড়িয়ে নামায পড়া)
২। তাকবীরে তাহ্রীমা পড়া।
৩। (প্রত্যেক রাকআতে) সূরা ফাতিহা পড়া।
৪। রুকু করা।
৫। রুকু থেকে উঠে খাড়া হওয়া পড়া।
৬। (সাষ্টাঙ্গে) সিজদাহ করা।
৭। সিজদাহ থেকে উঠে বসা।
৮। দুই সিজদার মাঝে বৈঠক করা।
৯। শেষ তাশাহহুদ পড়া।
১০। তাশাহহুদের শেষ বৈঠক করা।
১১। উক্ত তাশাহ্হুদে নবী (সাঃ) এর উপর
দরুদ পাঠ করা।
১২। দুই সালাম করা।
১৩। সমস্ত রুকনে ধীরতা ও স্থিরতা করা।
১৪। আরকানের মাঝে তরতীব ও পর্যায়ক্রম করা।


naimnourose.blogspot.com