★সুরা ফা’জর।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَالْفَجْرِ.
শপথ ফজরের, [সুরা ফা’জর: ১] وَلَيَالٍ عَشْرٍ.
শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার, [সুরা ফা’জর: ২]
وَالشَّفْعِ وَالْوَتْرِ.
যা জোড় ও যা বিজোড় [সুরা ফা’জর: ৩]
وَاللَّيْلِ إِذَا يَسْرِ.
এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে [সুরা ফা’জর: ৪]
هَلْ فِي ذَلِكَ قَسَمٌ لِّذِي حِجْرٍ.
এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে। [সুরা ফা’জর: ৫]
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِعَادٍ.
আপনি কি লক্ষ্য করেননি, আপনার পালনকর্তা আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিলেন,[সুরাফা’জর:৬]
إِرَمَ ذَاتِ الْعِمَادِ.
যাদের দৈহিক গঠন স্তম্ভ ও খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ ছিল এবং [সুরা ফা’জর: ৭]
الَّتِي لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِي الْبِلَادِ.
যাদের সমান শক্তি ও বলবীর্যে সারা বিশ্বের শহরসমূহে কোন লোক সৃজিত হয়নি [সুরা ফা’জর: ৮]
وَثَمُودَ الَّذِينَ جَابُوا الصَّخْرَ بِالْوَادِ.
এবং সামুদ গোত্রের সাথে, যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল। [সুরা ফা’জর: ৯]
وَفِرْعَوْنَ ذِي الْأَوْتَادِ.
এবং বহু কীলকের অধিপতি ফেরাউনের সাথে [সুরা ফা’জর: ১০]
الَّذِينَ طَغَوْا فِي الْبِلَادِ.
যারা দেশে সীমালঙ্ঘন করেছিল। [সুরা ফা’জর: ১১]
فَأَكْثَرُوا فِيهَا الْفَسَادَ.
অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল। [সুরা ফা’জর: ১২]
فَصَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّكَ سَوْطَ عَذَابٍ.
অতঃপর আপনার পালনকর্তা তাদেরকে শাস্তির কশাঘাত করলেন। [সুরা ফা’জর: ১৩]
إِنَّ رَبَّكَ لَبِالْمِرْصَادِ.
নিশ্চয় আপনার পালকর্তা সতর্ক দৃষ্টি রাখেন। [সুরা ফা’জর: ১৪]
فَأَمَّا الْإِنسَانُ إِذَا مَا ابْتَلَاهُ رَبُّهُ فَأَكْرَمَهُ وَنَعَّمَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَكْرَمَنِ.
মানুষ এরূপ যে, যখন তার পালনকর্তা তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সম্মান ও অনুগ্রহ দান করেন, তখন বলে, আমার পালনকর্তা আমাকে সম্মান দান করেছেন। [সুরা ফা’জর: ১৫]
وَأَمَّا إِذَا مَا ابْتَلَاهُ فَقَدَرَ عَلَيْهِ رِزْقَهُ فَيَقُولُ رَبِّي أَهَانَنِ.
এবং যখন তাকে পরীক্ষা করেন, অতঃপর রিযিক সংকুচিত করে দেন, তখন বলেঃ আমার পালনকর্তা আমাকে হেয় করেছেন। [সুরা ফা’জর: ১৬]
كَلَّا بَل لَّا تُكْرِمُونَ الْيَتِيمَ.
এটা অমূলক, বরং তোমরা এতীমকে সম্মান কর না। [সুরা ফা’জর: ১৭]
وَلَا تَحَاضُّونَ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ.
এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না। [সুরা ফা’জর: ১৮]
وَتَأْكُلُونَ التُّرَاثَ أَكْلًا لَّمًّا.
এবং তোমরা মৃতের ত্যাজ্য সম্পত্তি সম্পূর্ণরূপে কুক্ষিগত করে ফেল [সুরা ফা’জর: ১৯]
وَتُحِبُّونَ الْمَالَ حُبًّا جَمًّا.
এবং তোমরা ধন-সম্পদকে প্রাণভরে ভালবাস। [সুরা ফা’জর: ২০]
كَلَّا إِذَا دُكَّتِ الْأَرْضُ دَكًّا دَكًّا.
এটা অনুচিত। যখন পৃথিবী চুর্ণ-বিচুর ্ণ হবে [সুরা ফা’জর: ২১]
وَجَاء رَبُّكَ وَالْمَلَكُ صَفًّا صَفًّا.
এবং আপনার পালনকর্তা ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হবেন, [সুরা ফা’জর: ২২]
وَجِيءَ يَوْمَئِذٍ بِجَهَنَّمَ يَوْمَئِذٍ يَتَذَكَّرُ الْإِنسَانُ وَأَنَّى لَهُ الذِّكْرَى.
এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে, সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে? [সুরা ফা’জর: ২৩]
يَقُولُ يَا لَيْتَنِي قَدَّمْتُ لِحَيَاتِي.
সে বলবেঃ হায়, এ জীবনের জন্যে আমি যদি কিছু অগ্রে প্রেরণ করতাম! [সুরা ফা’জর: ২৪]
فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُعَذِّبُ عَذَابَهُ أَحَدٌ.
সেদিন তার শাস্তির মত শাস্তি কেউ দিবে না। [সুরা ফা’জর: ২৫]
وَلَا يُوثِقُ وَثَاقَهُ أَحَدٌ.
এবং তার বন্ধনের মত বন্ধন কেউ দিবে না। [সুরা ফা’জর: ২৬]
يَا أَيَّتُهَا النَّفْسُ الْمُطْمَئِنَّةُ.
হে প্রশান্ত মন, [সুরা ফা’জর: ২৭]
ارْجِعِي إِلَى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرْضِيَّةً.
তুমি তোমার পালনকর্তার নিকট ফিরে যাও সন্তুষ্ট ও সন্তোষভাজন হয়ে। [সুরা ফা’জর: ২৮]
فَادْخُلِي فِي عِبَادِي.
অতঃপর আমার বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাও। [সুরা ফা’জর: ২৯]
وَادْخُلِي جَنَّتِي.
এবং আমার জান্নাতে প্রবেশ কর। [সুরা ফা’জর: ৩০]
★সুরা বা’লাদ।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ لَا أُقْسِمُ بِهَذَا الْبَلَدِ.
আমি এই নগরীর শপথ করি [সুরা বা’লাদ: ১]
وَأَنتَ حِلٌّ بِهَذَا الْبَلَدِ.
এবং এই নগরীতে আপনার উপর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। [সুরা বা’লাদ: ২]
وَوَالِدٍ وَمَا وَلَدَ.
শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়। [সুরা বা’লাদ: ৩]
لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي كَبَدٍ.
নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে সৃষ্টি করেছি। [সুরা বা’লাদ: ৪]
أَيَحْسَبُ أَن لَّن يَقْدِرَ عَلَيْهِ أَحَدٌ.
সে কি মনে করে যে, তার উপর কেউ ক্ষমতাবান হবে না ? [সুরা বা’লাদ: ৫]
يَقُولُ أَهْلَكْتُ مَالًا لُّبَدًا.
সে বলেঃ আমি প্রচুর ধন-সম্পদ ব্যয় করেছি। [সুরা বা’লাদ: ৬]
أَيَحْسَبُ أَن لَّمْ يَرَهُ أَحَدٌ.
সে কি মনে করে যে, তাকে কেউ দেখেনি? [সুরা বা’লাদ: ৭]
أَلَمْ نَجْعَل لَّهُ عَيْنَيْنِ.
আমি কি তাকে দেইনি চক্ষুদ্বয়, [সুরা বা’লাদ: ৮]
وَلِسَانًا وَشَفَتَيْنِ.
জিহবা ও ওষ্ঠদ্বয় ? [সুরা বা’লাদ: ৯]
وَهَدَيْنَاهُ النَّجْدَيْنِ.
বস্তুতঃ আমি তাকে দু'টি পথ প্রদর্শন করেছি। [সুরা বা’লাদ: ১০]
فَلَا اقْتَحَمَ الْعَقَبَةَ.
অতঃপর সে ধর্মের ঘাঁটিতে প্রবেশ করেনি। [সুরা বা’লাদ: ১১]
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْعَقَبَةُ.
আপনি জানেন, সে ঘাঁটি কি? [সুরা বা’লাদ: ১২]
فَكُّ رَقَبَةٍ.
তা হচ্ছে দাসমুক্তি [সুরা বা’লাদ: ১৩]
أَوْ إِطْعَامٌ فِي يَوْمٍ ذِي مَسْغَبَةٍ.
অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান। [সুরা বা’লাদ: ১৪]
يَتِيمًا ذَا مَقْرَبَةٍ.
এতীম আত্বীয়কে [সুরা বা’লাদ: ১৫]
أَوْ مِسْكِينًا ذَا مَتْرَبَةٍ.
অথবা ধুলি-ধুসরিত মিসকীনকে [সুরা বা’লাদ: ১৬]
ثُمَّ كَانَ مِنَ الَّذِينَ آمَنُوا وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ وَتَوَاصَوْا بِالْمَرْحَمَةِ.
অতঃপর তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া, যারা ঈমান আনে এবং পরস্পরকে উপদেশ দেয় সবরের ও উপদেশ দেয় দয়ার। [সুরা বা’লাদ: ১৭]
أُوْلَئِكَ أَصْحَابُ الْمَيْمَنَةِ.
তারাই সৌভাগ্যশালী। [সুরা বা’লাদ: ১৮]
وَالَّذِينَ كَفَرُوا بِآيَاتِنَا هُمْ أَصْحَابُ الْمَشْأَمَةِ.
আর যারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে তারাই হতভাগা। [সুরা বা’লাদ: ১৯]
عَلَيْهِمْ نَارٌ مُّؤْصَدَةٌ.
তারা অগ্নিপরিবেষ্টিত অবস্থায় বন্দী থাকবে। [সুরা বা’লাদ: ২০]
★সুরা শামস।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا.
শপথ সূর্যের ও তার কিরণের, [সুরা শামস: ১]
وَالْقَمَرِ إِذَا تَلَاهَا. শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে, [সুরা শামস: ২]
وَالنَّهَارِ إِذَا جَلَّاهَا.
শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে, [সুরা শামস: ৩]
وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَاهَا.
শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে, [সুরা শামস: ৪]
وَالسَّمَاء وَمَا بَنَاهَا.
শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর। [সুরা শামস: ৫]
وَالْأَرْضِ وَمَا طَحَاهَا.
শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর, [সুরা শামস: ৬]
وَنَفْسٍ وَمَا سَوَّاهَا.
শপথ প্রাণের এবং যিনি তা সুবিন্যস্ত করেছেন, তাঁর, [সুরা শামস: ৭]
فَأَلْهَمَهَا فُجُورَهَا وَتَقْوَاهَا.
অতঃপর তাকে তার অসৎকর্ম ও সৎকর্মের জ্ঞান দান করেছেন, [সুরা শামস: ৮]
قَدْ أَفْلَحَ مَن زَكَّاهَا.
যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয়। [সুরা শামস: ৯]
وَقَدْ خَابَ مَن دَسَّاهَا.
এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয়। [সুরা শামস: ১০]
كَذَّبَتْ ثَمُودُ بِطَغْوَاهَا.
সামুদ সম্প্রদায় অবাধ্যতা বশতঃ মিথ্যারোপ করেছিল। [সুরা শামস: ১১]
إِذِ انبَعَثَ أَشْقَاهَا.
যখন তাদের সর্বাধিক হতভাগ্য ব্যক্তি তৎপর হয়ে উঠেছিল। [সুরা শামস: ১২]
فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ نَاقَةَ اللَّهِ وَسُقْيَاهَا.
অতঃপর আল্লাহর রসূল তাদেরকে বলেছিলেনঃ আল্লাহর উষ্ট্রী ও তাকে পানি পান করানোর ব্যাপারে সতর্ক থাক। [সুরা শামস: ১৩]
فَكَذَّبُوهُ فَعَقَرُوهَا فَدَمْدَمَ عَلَيْهِمْ رَبُّهُم بِذَنبِهِمْ فَسَوَّاهَا.
অতঃপর ওরা তার প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল এবং উষ্ট্রীর পা কর্তন করেছিল। তাদের পাপের কারণে তাদের পালনকর্তা তাদের উপর ধ্বংস নাযিল করে একাকার করে দিলেন। [সুরা শামস: ১৪]
وَلَا يَخَافُ عُقْبَاهَا.
আল্লাহ তা'আলা এই ধ্বংসের কোন বিরূপ পরিণতির আশংকা করেন না। [সুরা শামস: ১৫]
★সুরা লাইল।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى.
শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে, [সুরা লাইল: ১]
وَالنَّهَارِ إِذَا تَجَلَّى.
শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয় [সুরা লাইল: ২]
وَمَا خَلَقَ الذَّكَرَ وَالْأُنثَى.
এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন, [সুরা লাইল: ৩]
إِنَّ سَعْيَكُمْ لَشَتَّى.
নিশ্চয় তোমাদের কর্ম প্রচেষ্টা বিভিন্ন ধরনের। [সুরা লাইল: ৪]
فَأَمَّا مَن أَعْطَى وَاتَّقَى.
অতএব, যে দান করে এবং খোদাভীরু হয়, [সুরা লাইল: ৫]
وَصَدَّقَ بِالْحُسْنَى.
এবং উত্তম বিষয়কে সত্য মনে করে, [সুরা লাইল: ৬]
فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْيُسْرَى.
আমি তাকে সুখের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব। [সুরা লাইল: ৭]
وَأَمَّا مَن بَخِلَ وَاسْتَغْنَى.
আর যে কৃপণতা করে ও বেপরওয়া হয় [সুরা লাইল: ৮]
وَكَذَّبَ بِالْحُسْنَى.
এবং উত্তম বিষয়কে মিথ্যা মনে করে, [সুরা লাইল: ৯]
فَسَنُيَسِّرُهُ لِلْعُسْرَى.
আমি তাকে কষ্টের বিষয়ের জন্যে সহজ পথ দান করব। [সুরা লাইল: ১০]
وَمَا يُغْنِي عَنْهُ مَالُهُ إِذَا تَرَدَّى.
যখন সে অধঃপতিত হবে, তখন তার সম্পদ তার কোনই কাজে আসবে না। [সুরা লাইল: ১১]
إِنَّ عَلَيْنَا لَلْهُدَى.
আমার দায়িত্ব পথ প্রদর্শন করা। [সুরা লাইল: ১২]
وَإِنَّ لَنَا لَلْآخِرَةَ وَالْأُولَى.
আর আমি মালিক ইহকালের ও পরকালের। [সুরা লাইল: ১৩]
فَأَنذَرْتُكُمْ نَارًا تَلَظَّى.
অতএব, আমি তোমাদেরকে প্রজ্বলিত অগ্নি সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছি। [সুরা লাইল: ১৪]
لَا يَصْلَاهَا إِلَّا الْأَشْقَى.
এতে নিতান্ত হতভাগ্য ব্যক্তিই প্রবেশ করবে, [সুরা লাইল: ১৫]
الَّذِي كَذَّبَ وَتَوَلَّى.
যে মিথ্যারোপ করে ও মুখ ফিরিয়ে নেয়। [সুরা লাইল: ১৬]
وَسَيُجَنَّبُهَا الْأَتْقَى.
এ থেকে দূরে রাখা হবে খোদাভীরু ব্যক্তিকে, [সুরা লাইল: ১৭]
الَّذِي يُؤْتِي مَالَهُ يَتَزَكَّى
যে আত্নশুদ্ধির জন্যে তার ধন-সম্পদ দান করে। [সুরা লাইল: ১৮]
وَمَا لِأَحَدٍ عِندَهُ مِن نِّعْمَةٍ تُجْزَى.
এবং তার উপর কারও কোন প্রতিদানযোগ্য অনুগ্রহ থাকে না। [সুরা লাইল: ১৯]
إِلَّا ابْتِغَاء وَجْهِ رَبِّهِ الْأَعْلَى.
তার মহান পালনকর্তার সন্তুষ্টি অন্বেষণ ব্যতীত। [সুরা লাইল: ২০]
وَلَسَوْفَ يَرْضَى.
সে সত্বরই সন্তুষ্টি লাভ করবে। [সুরা লাইল: ২১]
★সুরা দুহা।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَالضُّحَى.
শপথ পূর্বাহ্নের, [সুরা দুহা: ১]
وَاللَّيْلِ إِذَا سَجَى.
শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়, [সুরা দুহা: ২]
مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَى.
আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেনি এবং আপনার প্রতি বিরূপও হননি। [সুরা দুহা: ৩]
وَلَلْآخِرَةُ خَيْرٌ لَّكَ مِنَ الْأُولَى.
আপনার জন্যে পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়। [সুরা দুহা: ৪]
وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَى.
আপনার পালনকর্তা সত্বরই আপনাকে দান করবেন, অতঃপর আপনি সন্তুষ্ট হবেন। [সুরা দুহা: ৫]
أَلَمْ يَجِدْكَ يَتِيمًا فَآوَى.
তিনি কি আপনাকে এতীমরূপে পাননি? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন। [সুরা দুহা: ৬
وَوَجَدَكَ ضَالًّا فَهَدَى.
তিনি আপনাকে পেয়েছেন পথহারা, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন। [সুরা দুহা: ৭]
وَوَجَدَكَ عَائِلًا فَأَغْنَى.
তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন।[সুরা দুহা: ৮]
فَأَمَّا الْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ.
সুতরাং আপনি এতীমের প্রতি কঠোর হবেন না; [সুরা দুহা: ৯]
وَأَمَّا السَّائِلَ فَلَا تَنْهَرْ.
সওয়ালকারীকে ধমক দেবেন না। [সুরা দুহা: ১০]
وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ.
এবং আপনার পালনকর্তার নেয়ামতের কথা প্রকাশ করুন। [সুরা দুহা: ১১]
★সুরা আলাম-নাশরাহ।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ.
আমি কি আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি? [সুরা আলাম-নাশরাহ: ১]
وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ.
আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা, [সুরা আলাম-নাশরাহ: ২]
الَّذِي أَنقَضَ ظَهْرَكَ.
যা ছিল আপনার জন্যে অতিশয় দুঃসহ। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৩]
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ.
আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৪]
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا.
নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৫]
إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا.
নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৬]
فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ.
অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৭]
وَإِلَى رَبِّكَ فَارْغَبْ.
এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন। [সুরা আলাম-নাশরাহ: ৮]
★সুরা লাহাব।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ.
আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে, [সুরা লাহাব: ১]
مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ.
কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে। [সুরা লাহাব: ২]
سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ.
সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে [সুরা লাহাব: ৩]
وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ.
এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে, [সুরা লাহাব: ৪]
فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍ.
তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে। [সুরা লাহাব: ৫]
Wap4dollar.com
Monday, 29 June 2015
বাংলায় উচ্চারণ সহ কিছু সূরা-২
বাংলায় উচ্চারন সহ কিছু সূরা-১
আরবি সূরা
★সূরা ফাতিহা | سورة الفاتحة
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
বাংলায় উচ্চারন:
আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন
আর রাহমানির রাহীমি
মালিকি ইয়াওমিদ্দীন
ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন
ইহ্দিনাস্ সিরাতাল মোস্তাকীম
সিরাতাল্লাজীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লিন আমীন
বাংলায় অনুবাদ:
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ্রই,
যিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াময়,
যিনি বিচার দিনের মালিক
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ
তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে
★সূরা ফীল | سورة الفيل
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍ مِّن سِجِّيلٍ
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍ
বাংলায় উচ্চারন:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আলাম তারা কাইফা ফা’আলা রাব্বুকা বিআছহা বিল ফীল
আলাম ইয়াজ আল
কাইদাহুম ফী তাদলীলিওঁ ওয়া আরসালা আলাইহিম ত্বাইরান আবাবীল ,
তারমীহিম বিহিজারাতিম মিন সিজ্জীলিন।
ফাজা আলাহুম কাআছ ফিম মা’কূল।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?
তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাত্ করে দেননি?
তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,
যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।
অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
★সূরা কুরাইশ | سورة الماعون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ
فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَـٰذَا الْبَيْتِ
الَّذِي أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍ وَآمَنَهُم مِّنْ خَوْفٍ
বাংলায় উচ্চারন:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
লি-ঈলাফি কুরাইশিন,
ঈলাফিহিম রিহ্ লাতাশ শীতায়ি ওয়াছ ছাইফ।
ফালইয়া’বুদূ রাব্বা হাযাল বাইত
আল্লাযী আত্য়ামাহুম মিন্ জু-ইওঁ ওয়া অমানাহুম মিন খাউফ।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
কোরাইশের আসক্তির কারণে,
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।
অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।
★সূরা মাউন | سورة الماعون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ
فَذَٰلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ
وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ
الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ
الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ
وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
বাংলায় উচ্চারন:
আরাআইতাল্ লাযী ইউকায্যিবু বিদ্দীন্।
ফাযা-লিকাল্ লাযী ইয়াদু‘য়্যুল ইয়াতীম্।
ওয়ালা- ইয়াহুদ্দু আ’লা- ত্বা‘আ-মিল্ মিস্কীন।
ফাওয়াইলুল্ লিল মুছাল্লীন।
আল্লাযীনা হুম ‘আন্ সালা-তিহিম সা-হূন।
আল্লাযীনা হুম ইউরা-ঊনা।
ওয়া ইয়াম্না‘ঊনাল্ মা-‘ঊন্।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?
সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়
এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,
যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;
যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।
★সূরা আল কাওসার | سورة الكوثر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
إِنَّآ أَعْطَيْنَٰكَ ٱلْكَوْثَرَ
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنْحَرْ
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلْأَبْتَرُ
বাংলায় উচ্চারন:
ইন্না--- ‘আত্বাইনা- কাল্ কাওছার।
ফাছাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ান্হার।
ইন্না শা-নিআকা হুয়াল আব্তার।
বাংলায় অনুবাদ:
নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।
★সূরা কাফিরুন | سورة الكافرون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ
বাংলায় উচ্চারন:
ক্কুল ইয়া--- আইয়্যূহাল কা-ফিরূন।
লা--- ‘আবুদু মা- ‘তাবুদূন।
ওয়ালা--- আন্তুম ‘আ-বিদূনা মা--- ‘আবুদ।
ওয়ালা--- আনা ‘আবিদূম্ মা- ‘আবাত্তুম।
ওয়ালা--- আন্তুম ‘আ-বিদূনা মা--- ‘আবুদ।
লাকুম দ্বীনুকুম ওয়া লিয়া দ্বীন।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
বলুন, হে কাফেরকূল,
আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
★সূরা নাসর|سورة النصر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ
বাংলায় উচ্চারন:
১। ইযা- জ্বা----আ নাছ্রুল্লা-হি ওয়াল্ ফাত্হু।
২। ওয়া রাআইতান্ না-ছা ইয়াদ্খুলূনা ফী দ্বীনিল্লা-হি আফ্ওয়া-জ্বা-
৩। ফাস্ব্বিহ্ বিহাম্দি রাব্বিকা ওয়াস্তাগ্ফিরহু; ইন্নাহূ কা-না তাওয়্যা-বা।
বাংলায় অনুবাদ:
যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,
তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।
★সূরা আল ইখলাস| سورة الإخلاص
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ
বাংলায় উচ্চারন:
ক্বুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্।
আল্লা-হুস্ সামাদ।
লাম ইয়ালিদ্ ওয়া লাম ইঊলাদ্।
ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান্ আহাদ।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
১) বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
২) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
৩) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪) এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।
★সূরা আল ফালাক| سورة الفلق
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
بِلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
বাংলায় উচ্চারন:
ক্বুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব।
মিন্ র্শারি মা- খালাক্ব।
ওয়া মিন্ র্শারি গা-ছিক্কিন ইযা- ওয়াক্বাব।
ওয়া মিন্ র্শারিন নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বাদ্।
ওয়া মিন্ র্শারি হা-ছিদিন্ ইযা- হাসাদ্।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
গ্রন্থিতে ফুঁত্কার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।
★সূরা ক্বদর| سورة القدر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ
سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
বাংলায় উচ্চারন:
ইন্না--- আন্যাল্না-হু ফী লাইলাতিল ক্বাদ্রি।
ওয়ামা--- আদ্রা-কা মা- লাইলাতুল্ ক্বাদ্রি।
লাইলাতুল ক্বাদরি খাইরুম্ মিন্ আল্ফি শাহ্রিন।
তানাজ্জালুল মালা----ইকাতু ওর্য়ারূহু ফীহা- বিইযনি রাব্বিহিম, মিন্ কুল্লি আমরিন।
সালা-মুন, হিয়া হাত্তা- মাত্বলাইল্ ফাজরি।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
শবে-কদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন?
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
এটা নিরাপত্তা যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
★আন-নাস|
আরবি উচ্চারণ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাংলা অনুবাদ পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاس114.1ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.১। কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.১ বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, مَلِكِ النَّاس114.2ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.২। মালিকিন্না-স্
বাংলা অনুবাদ ১১৪.২ মানুষের অধিপতি, إِلَهِ النَّاس114.3ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৩। ইলা-হি ন্না-স্ বাংলা অনুবাদ ১১৪.৩ মানুষের ইলাহ-এর কাছে, مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاس114.4ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৪। মিন্ শাররিল ওয়াস্ ওয়া-সিল্ খান্না-সি বাংলা অনুবাদ ১১৪.৪ কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্ম গোপন করে। الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاس114.5ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৫। আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী ছুদূরিন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.৫ যে মানুষের মনে কুমন্ত্রাণা দেয় مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاس114.6ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৬। মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.৬ জিন ও মানুষ থেকে।
★আল-জিলজাল|
আরবি উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বাংলা অনুবাদ
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا1.
১। ইযা-যুল্যিলাতিল্ র্আদ্বু যিল্যা-লাহা-
যখন প্রচন্ড- কম্পনে যমীন প্রকম্পিত হবে
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا2.
২। অআখ্রজ্বাতিল্ আরদু আছ্ক্ব-লাহা-
আর যমীন তার বোঝা বের করে দেবে,
وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا3.
৩।অক্ব-লাল্ ইনসা-নু মা- লাহা-
আর মানুষ বলবে, ‘এর কী হল?’
يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا4.
৪। ইয়াওমায়িযিন্ তুহাদ্দিছু আখ্বা-রহা-
সেদিন যমীন তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَى لَهَا5.
৫।বিআন্না রব্বাকা আওহা-লাহা-
যেহেতু তোমার রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ6.
৬। ইয়াওমায়িযিঁই ইয়াছ্দুরু ন্না-সু আশ্তা-তাল্ লিইয়ুরাও আ‘মা-লাহুম্।
সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্তভাবে বের হয়ে আসবে যাতে দেখানো যায় তাদেরকে তাদের নিজদের কৃতকর্ম।
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ7.
৭। ফামাইঁ ইয়া’মাল্ মিছ্ক্ব-লা র্যারতিন্ খইরঁই ইয়ারহ্।
অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,
وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ 8.
৮। অমাইঁ ইয়া’মাল্ মিছ্ক্ব-লা র্যারতিন্ র্শারইঁ ইয়ারহ্
আর কেউ অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলে তাও সে দেখবে।
★সুরা হুমাযা।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ.
প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ, [সুরা হুমাযা: ১]
الَّذِي جَمَعَ مَالًا وَعَدَّدَهُ.
যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে [সুরা হুমাযা: ২]
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ.
সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! [সুরা হুমাযা: ৩]
كَلَّا لَيُنبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ.
কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। [সুরা হুমাযা: ৪]
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ.
আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি? [সুরা হুমাযা: ৫]
نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُv
এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, [সুরা হুমাযা: ৬]
الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ.
যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। [সুরা হুমাযা: ৭]
إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌ.
এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে, [সুরা হুমাযা: ৮]
فِي عَمَدٍ مُّمَدَّدَةٍ.
লম্বা লম্বা খুঁটিতে। [সুরা হুমাযা: ৯]