Wap4dollar.com

Monday, 29 June 2015

বাংলায় উচ্চারন সহ কিছু সূরা-১

আরবি সূরা
★সূরা ফাতিহা | سورة الفاتحة
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ
مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ
اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ
صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ
বাংলায় উচ্চারন:
আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন
আর রাহমানির রাহীমি
মালিকি ইয়াওমিদ্দীন
ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন
ইহ্দিনাস্ সিরাতাল মোস্তাকীম
সিরাতাল্লাজীনা আন আমতা আলাইহিম গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দোয়াল্লিন আমীন
বাংলায় অনুবাদ:
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ্‌রই,
যিনি পরম করুণাময়, পরম দয়াময়,
যিনি বিচার দিনের মালিক
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি
আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
সে সমস্ত লোকের পথ, যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ
তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে

★সূরা ফীল | سورة الفيل
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ
أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ
وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ
تَرْمِيهِم بِحِجَارَةٍ مِّن سِجِّيلٍ
فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَّأْكُولٍ

বাংলায় উচ্চারন:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
আলাম তারা কাইফা ফা’আলা রাব্বুকা বিআছহা বিল ফীল
আলাম ইয়াজ আল
কাইদাহুম ফী তাদলীলিওঁ ওয়া আরসালা আলাইহিম ত্বাইরান আবাবীল ,
তারমীহিম বিহিজারাতিম মিন সিজ্জীলিন।
ফাজা আলাহুম কাআছ ফিম মা’কূল।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আপনি কি দেখেননি আপনার পালনকর্তা হস্তীবাহিনীর সাথে কিরূপ ব্যবহার করেছেন?
তিনি কি তাদের চক্রান্ত নস্যাত্‍ করে দেননি?
তিনি তাদের উপর প্রেরণ করেছেন ঝাঁকে ঝাঁকে পাখী,
যারা তাদের উপর পাথরের কংকর নিক্ষেপ করছিল।
অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণসদৃশ করে দেন।
★সূরা কুরাইশ | سورة الماعون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ
إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ
فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَـٰذَا الْبَيْتِ
الَّذِي أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍ وَآمَنَهُم مِّنْ خَوْفٍ

বাংলায় উচ্চারন:
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
লি-ঈলাফি কুরাইশিন,
ঈলাফিহিম রিহ্ লাতাশ শীতায়ি ওয়াছ ছাইফ।
ফালইয়া’বুদূ রাব্বা হাযাল বাইত
আল্লাযী আত্য়ামাহুম মিন্ জু-ইওঁ ওয়া অমানাহুম মিন খাউফ।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
কোরাইশের আসক্তির কারণে,
আসক্তির কারণে তাদের শীত ও গ্রীষ্মকালীন সফরের।
অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তার
যিনি তাদেরকে ক্ষুধায় আহার দিয়েছেন এবং যুদ্ধভীতি থেকে তাদেরকে নিরাপদ করেছেন।

★সূরা মাউন | سورة الماعون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ
فَذَٰلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ
وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ
فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ

الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ
الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ
وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ

বাংলায় উচ্চারন:
আরাআইতাল্ লাযী ইউকায্যিবু বিদ্দীন্।
ফাযা-লিকাল্ লাযী ইয়াদু‘য়্যুল ইয়াতীম্।
ওয়ালা- ইয়াহুদ্দু আ’লা- ত্বা‘আ-মিল্ মিস্কীন।
ফাওয়াইলুল্ লিল মুছাল্লীন।
আল্লাযীনা হুম ‘আন্ সালা-তিহিম সা-হূন।
আল্লাযীনা হুম ইউরা-ঊনা।
ওয়া ইয়াম্না‘ঊনাল্ মা-‘ঊন্।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে?
সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয়
এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না।
অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর,
যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর;
যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে
এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।

★সূরা আল কাওসার | سورة الكوثر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

إِنَّآ أَعْطَيْنَٰكَ ٱلْكَوْثَرَ
فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَٱنْحَرْ
إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ ٱلْأَبْتَرُ

বাংলায় উচ্চারন:
ইন্না--- ‘আত্বাইনা- কাল্ কাওছার।
ফাছাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ান্হার।
ইন্না শা-নিআকা হুয়াল আব্তার।
বাংলায় অনুবাদ:
নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।
অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।
যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

★সূরা কাফিরুন | سورة الكافرون
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ

বাংলায় উচ্চারন:
ক্কুল ইয়া--- আইয়্যূহাল কা-ফিরূন।
লা--- ‘আবুদু মা- ‘তাবুদূন।
ওয়ালা--- আন্তুম ‘আ-বিদূনা মা--- ‘আবুদ।
ওয়ালা--- আনা ‘আবিদূম্ মা- ‘আবাত্তুম।
ওয়ালা--- আন্তুম ‘আ-বিদূনা মা--- ‘আবুদ।
লাকুম দ্বীনুকুম ওয়া লিয়া দ্বীন।

বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
বলুন, হে কাফেরকূল,
আমি এবাদত করিনা, তোমরা যার এবাদত কর।
এবং তোমরাও এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি
এবং আমি এবাদতকারী নই, যার এবাদত তোমরা কর।
তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি।
তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।
★সূরা নাসর|سورة النصر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

قُلْ يَٰٓأَيُّهَا ٱلْكَٰفِرُونَ
لَآ أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
وَلَآ أَنَا۠ عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ
وَلَآ أَنتُمْ عَٰبِدُونَ مَآ أَعْبُدُ
لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِىَ دِينِ

বাংলায় উচ্চারন:
১। ইযা- জ্বা----আ নাছ্রুল্লা-হি ওয়াল্ ফাত্হু।
২। ওয়া রাআইতান্ না-ছা ইয়াদ্খুলূনা ফী দ্বীনিল্লা-হি আফ্ওয়া-জ্বা-
৩। ফাস্ব্বিহ্ বিহাম্দি রাব্বিকা ওয়াস্তাগ্ফিরহু; ইন্নাহূ কা-না তাওয়্যা-বা।
বাংলায় অনুবাদ:
যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়
এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,
তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।

★সূরা আল ইখলাস| سورة الإخلاص
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ
ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ
لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ

বাংলায় উচ্চারন:
ক্বুল্ হুওয়াল্লা-হু আহাদ্।
আল্লা-হুস্ সামাদ।
লাম ইয়ালিদ্ ওয়া লাম ইঊলাদ্।
ওয়া লাম ইয়াকুল লাহু কুফুওয়ান্ আহাদ।

বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

১) বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,
২) আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,
৩) তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি
৪) এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

★সূরা আল ফালাক| سورة الفلق
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

بِلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ

বাংলায় উচ্চারন:
ক্বুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক্ব।
মিন্ র্শারি মা- খালাক্ব।
ওয়া মিন্ র্শারি গা-ছিক্কিন ইযা- ওয়াক্বাব।
ওয়া মিন্ র্শারিন নাফ্ফা-ছা-তি ফিল্ ‘উক্বাদ্।
ওয়া মিন্ র্শারি হা-ছিদিন্ ইযা- হাসাদ্।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,
অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,
গ্রন্থিতে ফুঁত্‍কার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে
এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

★সূরা ক্বদর| سورة القدر
الـرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ

إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ
سَلَامٌ هِيَ حَتَّى مَطْلَعِ الْفَجْرِ
বাংলায় উচ্চারন:
ইন্না--- আন্যাল্না-হু ফী লাইলাতিল ক্বাদ্রি।
ওয়ামা--- আদ্রা-কা মা- লাইলাতুল্ ক্বাদ্রি।
লাইলাতুল ক্বাদরি খাইরুম্ মিন্ আল্ফি শাহ্রিন।
তানাজ্জালুল মালা----ইকাতু ওর্য়ারূহু ফীহা- বিইযনি রাব্বিহিম, মিন্ কুল্লি আমরিন।
সালা-মুন, হিয়া হাত্তা- মাত্বলাইল্ ফাজরি।
বাংলায় অনুবাদ:
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
শবে-কদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন?
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
এটা নিরাপত্তা যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
★আন-নাস|
আরবি উচ্চারণ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাংলা অনুবাদ পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاس114.1ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.১। কুল্ আ‘ঊযু বিরব্বিন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.১ বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, مَلِكِ النَّاس114.2ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.২। মালিকিন্না-স্

বাংলা অনুবাদ ১১৪.২ মানুষের অধিপতি, إِلَهِ النَّاس114.3ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৩। ইলা-হি ন্না-স্ বাংলা অনুবাদ ১১৪.৩ মানুষের ইলাহ-এর কাছে, مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاس114.4ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৪। মিন্ শাররিল ওয়াস্ ওয়া-সিল্ খান্না-সি বাংলা অনুবাদ ১১৪.৪ কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্ম গোপন করে। الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاس114.5ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৫। আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী ছুদূরিন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.৫ যে মানুষের মনে কুমন্ত্রাণা দেয় مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاس114.6ِ. আরবি উচ্চারণ ১১৪.৬। মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-স্। বাংলা অনুবাদ ১১৪.৬ জিন ও মানুষ থেকে।

★আল-জিলজাল|
আরবি উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
বাংলা অনুবাদ
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
إِذَا زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا1.
১। ইযা-যুল্যিলাতিল্ র্আদ্বু যিল্যা-লাহা-
যখন প্রচন্ড- কম্পনে যমীন প্রকম্পিত হবে
وَأَخْرَجَتِ الْأَرْضُ أَثْقَالَهَا2.
২। অআখ্রজ্বাতিল্ আরদু আছ্ক্ব-লাহা-
আর যমীন তার বোঝা বের করে দেবে,
وَقَالَ الْإِنْسَانُ مَا لَهَا3.
৩।অক্ব-লাল্ ইনসা-নু মা- লাহা-
আর মানুষ বলবে, ‘এর কী হল?’
يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا4.
৪। ইয়াওমায়িযিন্ তুহাদ্দিছু আখ্বা-রহা-
সেদিন যমীন তার বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে,
بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَى لَهَا5.
৫।বিআন্না রব্বাকা আওহা-লাহা-
যেহেতু তোমার রব তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।
يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ6.
৬। ইয়াওমায়িযিঁই ইয়াছ্দুরু ন্না-সু আশ্তা-তাল্ লিইয়ুরাও আ‘মা-লাহুম্।
সেদিন মানুষ বিক্ষিপ্তভাবে বের হয়ে আসবে যাতে দেখানো যায় তাদেরকে তাদের নিজদের কৃতকর্ম।
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ7.
৭। ফামাইঁ ইয়া’মাল্ মিছ্ক্ব-লা র্যারতিন্ খইরঁই ইয়ারহ্।
অতএব, কেউ অণু পরিমাণ ভালকাজ করলে তা সে দেখবে,
وَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ 8.
৮। অমাইঁ ইয়া’মাল্ মিছ্ক্ব-লা র্যারতিন্ র্শারইঁ ইয়ারহ্
আর কেউ অণু পরিমাণ খারাপ কাজ করলে তাও সে দেখবে।

★সুরা হুমাযা।
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيمِ وَيْلٌ لِّكُلِّ هُمَزَةٍ لُّمَزَةٍ.
প্রত্যেক পশ্চাতে ও সম্মুখে পরনিন্দাকারীর দুর্ভোগ, [সুরা হুমাযা: ১]
الَّذِي جَمَعَ مَالًا وَعَدَّدَهُ.
যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করে [সুরা হুমাযা: ২]
يَحْسَبُ أَنَّ مَالَهُ أَخْلَدَهُ.
সে মনে করে যে, তার অর্থ চিরকাল তার সাথে থাকবে! [সুরা হুমাযা: ৩]
كَلَّا لَيُنبَذَنَّ فِي الْحُطَمَةِ.
কখনও না, সে অবশ্যই নিক্ষিপ্ত হবে পিষ্টকারীর মধ্যে। [সুরা হুমাযা: ৪]
وَمَا أَدْرَاكَ مَا الْحُطَمَةُ.
আপনি কি জানেন, পিষ্টকারী কি? [সুরা হুমাযা: ৫]
نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُv
এটা আল্লাহর প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, [সুরা হুমাযা: ৬]
الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ.
যা হৃদয় পর্যন্ত পৌছবে। [সুরা হুমাযা: ৭]
إِنَّهَا عَلَيْهِم مُّؤْصَدَةٌ.
এতে তাদেরকে বেঁধে দেয়া হবে, [সুরা হুমাযা: ৮]
فِي عَمَدٍ مُّمَدَّدَةٍ.
লম্বা লম্বা খুঁটিতে। [সুরা হুমাযা: ৯]

Thursday, 25 June 2015

১৩০ ফরজের বিস্তারিত

★★★ ১৩০ ফরজের বিস্তারিত ★★★

১৩০ ফরজের বিস্তারিত........ ফরজের সংখা নিয়ে মতভেদ রযেছে। অধিকাংশ ওলামায়েকেরামের মতামতের ভিতিতে ১৩০ ফরজের বর্ণনা দেওয়া হলো:

★ মুসলমানের পাচ রোকনে ৫ফরজ

১) কালিমা।
২) নামাজ।
৩) রোজা।
৪) হজ্জ ও
৫) যাকাত

★ চার মাযহাবে ৪ ফরজ

১) হানাফী মাযহাব।
২) সাফেয়ী মাযহাব।
৩) হাম্বলী মাযহাব ও
৪) মালেকী মাযহাব

★ পাচ ওয়াক্ত নামজের নিয়তে ৫ ফরজ

১) ফজর।
২) জোহর।
৩) আসর।
৪) মাগরিব ও
৫) এশার।

★ পাচ ওয়াক্ত নামাজের সতেরো রাকআতে ১৭ ফরজ

১) ফজরের ২ রাকআত।
২) জোহরের ৪ রাকআত।
৩) আসরের ৪ রাকআত।
৪) মাগরিবের ৩ রাকআত ও
৫) এশার ৪ রাকআত।

★ ঈমানের ৭ ফরজ

১) আল্লাহর  ঈমান আনা।
২) তার প্রেরিত রাসূলের ওপর ঈমান আনা।
৩) আল্লাহর ফেরেশতাদের ওপর ঈমান আনা।
৪) আল্লাহর কিতাব সমূহের ওপর ঈমান আনা।
৫) তাকদীরের ওপর ঈমান আনা।
৬) মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত হওয়ার ওপর ঈমান আনা ও
৭) কিয়ামতের ওপর ঈমান আনা।

★ অজুতে ৪ ফরজ

১) সমস্ত মুখমন্ডল ধৌত করা।
২) উভয় হাত কনুই পর্যন্ত ধৌত করা।
৩) মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসাহ করা ও
৪) উভয় পায়ের গিরাসহ ধৌত করা।

★ গোসলে ৩ ফরজ

১) কুলি করা।
২) নাকের ছিদ্রের ভিতরে পানি পৌছানো।
৩) সর্বাঙ্গ উওমরূপে ধৌত করা।

★ পাচ কালিমায় ৫ ফরজ

১) কালিমায়ে তাইয়েবা।
২) কালিমায়ে শাহাদাত।
৩) কালিমায়ে তামজীত।
৪) কালিমায়ে তাওহীদ ও
৫) কালিমায়ে  রদ্দেকূফর।

★ তায়াম্মুমে ৩ ফরজ

১) নিয়ত করা।
২) সমস্ত মুখমন্ডল মাসাহ করা ও
৩) উভয় হাতের কনুই পর্যন্ত মাসাহ করা।

★ নামজের পূর্বে আরকানে ৬ ফরজ

১) জায়গা পাক।
২) শরীর পাক।
৩) পোশাক পাক।
৪) সতর ঢাকা।
৫) কেবলামুখি হয়ে দাড়ানো ও
৬) নিয়ত করা।

★ ত্রিশ রোজায় ৬০ ফরজ

১) ত্রিশ রোজায় ৩০ ফরজ এবং
২) ত্রিশ রোজার নিয়তে ৩০ ফরজ।

Friday, 19 June 2015

কিছু দরকারি দোয়া=>>

কিছু দরকারি দোয়া=>>
★ মিজানের পাল্লা ভারির আমল= সুবহানাল্লাহীল আজিম ওয়াবেহামদিহি।
★ দোয়া= সুবহানাল্লাহি ওয়াবেহামদীহি সুবানাকা আল্লাহুম্মা ওবে হামদিকা আশাহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইহিক।
★ ঘর থেকে বের হওয়ার সময়ের দোয়া উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি তাওয়াক'কালতু আলাল্লাহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কু'ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
ফজিলতঃ রাসূল (সঃ) বলেছেন যে ব্যাক্তি এই দোয়া পড়ে ঘর থেকে বেরোবে সকল বিপদ থেকে সে নিরাপদে থাকবে ও ইবলিশ শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।(তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৮০)
★কাপড় পরিধানের দোয়া= “আলহামদুলিল্লাহিল্লাজী কাছানী মা উয়ারী বিহী আওরাতী ওয়া আতাজাম্মাল্লু বিহী ফী হায়া-তী”

★ দরুদ তোহফা=“আল্লাহুম্মারযুক্বনা খায়রাদ্দীনে মায়া'ল ক্বারবি অল ইখলাছি অল এছতিক্বামাতি বিলুৎফিকা,ওয়া সাল্লাল্লাহু আ'লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ'ন। ওয়া সাল্লামা তাসলীমান কাছিরান কাছিরা। বিরাহ্ মাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন”
★দোয়া= “আল্লাহুম্মা ইয়া নূরু তানাওয়ারতা বিন নূরি ওয়ান নূরি ফী নূরিকা ইয়া নূরু,আল্লাহুম্মা বারিক আ'লাইনা অরফা'আন্না বালায়িনা ইয়া রাউফু,লাব্বায়কা ওয়া আরহাম লাব্বায়কা ওয়া আ'জাম লাব্বায়কা ওয়া আকরাম লাব্বায়কা। ইন্নাল্লাহা ইয়াবয়া'ছু মান ফিল কুবূরি”
★দোয়া= রব্বানা তাকাব্বাল মিন্না ইন্নাকা আন্তাস ছামিউল আলিম- রব্বানা ওয়াজ আলনা মুসলিমাইনি  লাকা ওয়া মিন জুররি ইয়াতিনা উমমাতাম মুসলিমাতাল লাকা ওয়া আরিনা মানাসিকানা ওয়াতুব আলাইনা ইন্নাকা আন্তাত তাও ওয়াবুর রাহিম।
★দোয়া= রব্বানা ওয়াব আছ ফীহিম রাসূলাম মিনহুম ইয়াতলু আলাইহিম আ'য়াতিকা ওয়া ইউআল্লিমু হুমুল কিতাবা ওয়াল হিকমাতা ওয়া ইউ যাক্কিহিম- ইন্নাকা আনতাল আজিজুল হাকিম।
★দোয়া= রব্বানা আফরিগ আলাইনা সাবরাও ওয়া সাববিত আকদামানা ওয়ানছুরনা আলাল কাউমিল কাফিরিন।
★দোয়া= রব্বানা ইন্নাকা জামিউননাছি লিইয়াওমিল লা রাইবা ফীহি- ইন্নাল্লাহা লা ইউখলিফুল মিয়াদ।
★ এই দোয়া পরে যদি ইবলিছ শয়তান বেহশতে যাওয়ার আশা করে তাহলে আমরা নবীর উম্মত হয়ে কেন আশা করবো না---->
“ আল্লাহুম্মা ইয়া ইলাহাল বাশারি ওয়া ইয়া আজিমাল খাতারি ওয়া ইয়া ওছিয়াল মাগফিরাতি ওয়া ইয়া আযিযাল মান্নি ওয়া ইয়া মালিকি ইয়্যাওমিদ্দিন বিহাক্বি ইয়্যাকা না'বুদু ও ইয়্যাকা নাসতাঈন বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ইয়া ইলাহাল           আ'লামিন
ওয়া ইয়া খাইরান নাছিরীন ওয়া ইয়া গিয়াছাল মুসতাগিছীন বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।
★খাবার শুরু করার দোয়া= “বিসমিল্লাহে ওয়া-আলা বারকাতিল্লাহি”
★খাবারের পরঃ “আলহামদু-লিল্লা হিল্লাজী আত্ব আমানা ওয়া- ছাক্কানা ওয়া-জা আলানা মিনাল মুছলেমীন”
★ঘর হইতে বাহির হওয়ার দোয়া=“বিছমিল্লাহে তাওয়াক কালতু আলাল্লাহে”
★দাওয়াত বা অন্যের ঘরে খাওয়ার পর দোয়া= “আল্লাহুম্মা আত্বয়েম মান আত্বআমানী ওয়াছ্ক্কে মান ছাক্কানী”
★★রোগ থেকে দ্রুত আরোগ্য প্রাপ্তির দোয়া=
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺭَﺏَّ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣُﺬْﻫِﺐَ ﺍﻟْﺒَﺎﺱِ ﺍِﺷْﻒِ ﺍَ ﻧْﺖَ ﺍﻟﺸَّﺎﻓِﻰْ ﻻَ ﺷَﺎﻓِﻰْ
ﺍِﻻَّ ﺍَ ﻧْﺖَ ﺷِﻔَﺎﺀً ﻻَﻳُﻐَﺎﺩِﺭُ ﺳُﻘْﻤًﺎ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা রাব্বান নাছি মুযহিবাল বাছি - ইশফি আনতা শাফি -
লা শাফি ইল্লা আনতা শিফা'ন লা ইয়োগাদিরু সুকমা।
ফজিলতঃ আনাস (রাঃ) বলেছেন,
রাসূল (সাঃ) অসুস্থ ব্যাক্তিদের উপর এই
দোয়া পড়ে ফু দিতেন। অসুস্থ ব্যাক্তি
দ্রুত আরোগ্য লাভ করতো। (বুখারী শরীফ
খন্ড-২ পৃষ্ঠা-৮৫৫)
★ব্যাথা উপশমের দোয়া
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী সুবহানাল্লাহীল আজীমি ওয়া বিহামদিহী আস্তাগফিরুল্লাহ” ফজিলতঃ হুজুর সাঃ বলেন, এই দোয়া প্রত্যহ ফজর নামাজের পূর্বে বা পরে ১০০ বার করে পড়, সংসার দুনিয়া আপনা আপনি তোমার দিকে ফিরবে অর্থাত দুনিয়া তোমাকে হেয় ও লাঞ্ছিত অবস্থায় ধরা দিবে এবং এতদ্ভিন্ন আল্লাহতায়ালা এর একেকটি শব্দ হতে এক একেক জন ফেরেশতা তৈরী করে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত তসবীহ পাঠে নিযুক্ত করে দিবেন উহার সমুদয় সোয়াব তুমি পাবে এর মুল বক্তব্য হচ্ছে এস্তেগফার।বলাবাহুল্য গুনাহের কারনেই মানুষের রিজিকের সঙ্কীর্নতা এবং সকল প্রকার দুঃখ কষ্ট ও পেরেশানী ঘটে থাকে। এই আমল নিয়মিত করার মাধ্যমে সংসারে কোন অভাব অনটন থাকতেই পারে না।
★প্রত্যেক নামাযের পরের দোয়াসুবহানাল্লাহ্ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ্৩৩ বার, আল্লাহু আকবার ৩৩ বার এবং একবার লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু,ওয়াহিদাহু লা-শারীকালাহু, লাহুল মুলক্ ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর।
ফযীলতঃ যে ব্যক্তি প্রত্যেক সালাতের পর উক্তরূপে তসবীহ্ পাঠ করে তার সকল গুনাহ্ মার্জিত হয়ে যায় যদিও তা সমুদ্রের ফেণরাশির মত অফুরন্ত হয়। যে প্রত্যহ ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ও বিহামদিহী’ পাঠ করে তার পাপরাশি সমুদ্রের ফণরাশির ন্যায় অপরিসীম হলেও তা ক্ষমা করা হয়।
★★মাতা-পিতার জন্য সন্তানের দোয়া=
উচ্চারণঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ঈয়ানী সাগিরা। (সূরা বণী ইসরাইল, আয়াতঃ ২৩-২৫)অর্থঃ হে আল্লাহ্ আমার মাতা-পিতার প্রতি আপনি সেই ভাবে সদয় হউন, তাঁরা শৈশবে আমাকে যেমন স্নেহ-মমতা দিয়ে লালন-পালন করেছেন।
★★ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ করার দোয়া=
উচ্চারণঃ রাব্বানা লা’তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাবলানা মিল্লাদুনকা রাহমাতান,ইন্নাকা আনতাল ওয়াহাব। (সুরা আল ইমরান, আয়াতঃ ০৮)
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা, সরলপথপ্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিওনা এবং তুমি আমাদের প্রতি করুনা কর, তুমিই মহান দাতা।
★★ভুল করে ফেললে ক্ষমা চাওয়ার দোয়া=
উচ্চারণঃ রাব্বাবা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির্লানা ওয়াতার হামনা লানা কুনান্না মিনাল খা’সিরিন।অর্থঃ হে আল্লাহ্, আমি আমার নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। এখন তুমি যদি ক্ষমা ও রহম না কর, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।
★★গুনাহ্ মাফের দোয়া=
উচ্চারণঃ রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফ্ফানা মায়াল আবরার। (সূরা আল ইমরান,আয়াতঃ১৯৩)
অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা,আমাদের গুনাহসমূহ মাফ করে দাও,আমাদের থেকে সকল মন্দ দূর করে দাও এবং আমাদের নেক লোকদের সাহচার্য দান কর।
★★ক্ষমা ও রহমতের দোয়া=
উচ্চারণঃ রাব্বিগ ফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন। অর্থঃ হে আল্লাহ্, আমাকে ক্ষমা করে দাও, আর আমার প্রতি রহম কর, তুমিই তো উত্তম দয়ালু।
★★ঈমান ঠিক রাখার দোয়া=
উচ্চারণঃ ইয়া মুক্বাল্লিবাল কুলুবি ছাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিকা। অর্থঃ হে মনের গতি পরিবর্তনকারী,আমার মনকে সত্য দ্বীনের উপর স্থিত কর।
★★অস্থিরতায় পাঠ করার দোয়া
উচ্চারণঃ আল্লাহু ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুমু বিরাহমাতিকা আসতাগীছু।অর্থঃ হে চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী আল্লাহ্ তোমার রহমত দ্বারা আমাকে সাহায্য কর।এবং
উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানান্নাহিল আযীম।অর্থঃ মহান আল্লাহ বড়ই পবিত্র, আল্লাহ বড়ই পবিত্র ও মহান।
★★বিপদে আল্লাহর সাহায্য লাভের জন্য দোয়া=
উচ্চারণঃ হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকীল, নি’মাল মাওলা ওয়া নি’মাল নাসির।অর্থঃ মহান আল্লাহর সাহায্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম জামিনদার। তিনি কতইনা উত্তম প্রভু এবং উত্তম সাহায্যকারী।
★সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার=
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আন্তা খালাক্বতানী ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহ্দিকা, ওয়া ওয়া’দিকা মাছত্বোয়াতাতু, আউযুবিকা মিন শাররি মা ছানা’তু, আবুউ লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা, ওয়া আবুউ লাকা বিজাম্বি, ফাগফিরলী। ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ্জুনুবা ইল্লাহ আন্তা।(যাদুল মাআদ)।
অর্থঃ হে আল্লাহ্ তুমি আমার প্রতিপালক। তুমি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। আমাকে সৃষ্টি করেছ এবং আমি তোমার বান্দা। আর আমি সাধ্যমত তোমার অঙ্গিকার ও প্রতিশ্রুতির উপর কায়েম আছি। আমি মন্দ যা করেছি তা থেকে তোমার আশ্রয় চাই। আমার উপর তোমার প্রদত্ত নেয়ামতের স্বীকৃতি দিচ্ছি। আর আমার গুনাহ্গুলো স্বীকার
করছি। অতএব আমাকে ক্ষমা কর। কারণ তুমি ছাড়া গুনাহ্ ক্ষমা করার আর কেউ নেই।ফজিলতঃ রাসুল সা. বলেছেন, তোমাদের কেউ এ কথাগুলো সন্ধ্যা বেলায় বললে, অতপর সকাল হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। অনুরূপভাবে তোমাদের কেউ তা সকাল বেলায় বললে, অতপর সন্ধ্যার আগেই তার মৃত্যু
হলে তার জন্যও জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়। (বুখারী, তিরমিযী) ।
★★অত্যাচারের ভয় থেকে মুক্তির দোয়া=
উচ্চারণঃ আল্লাহুকফিনাহু বিমা শিতা আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফী ন্ হহুরিহিম ওয়া নাউজু বিকা মিন শুররিহিম |
★★বিশ লক্ষ নেকীর দোয়া=
উচ্চারনঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছামাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউ লাদ ওয়া লাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
ফজিলতঃ যে ব্যাক্তি এই দোয়া একবার পাঠ ক রবে তার আমল নামায় বিশ লক্ষ নেকী লেখা হবে।
★★এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নেকীর দোয়া=
যে ব্যাক্তি দৈনিক ১০০ বার "সুবহানাল্লাহী ওয়া বিহামদিহী" পড়বে তা আমল নামায় এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নেকী লেখা হবে।
★ রমজান মাসের আগে থেকে পড়ার দোয়া- আল্লাহুম্মা বারিকলানা ফি রজবা ওয়া সাবান ওয়া বালল্লিগনা রমাদান।
★দোয়া কবুলের সময়=
রাতের বেলা ঘুম থেকে জেগে উঠলে উবাদা ইবনুস সামিত রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, “যে কেউ রাতের বেলা ঘুম থেকে জাগে
আর বলে-‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হা’মদু ওয়াহুয়া আ’লা কূল্লি শায়্যিন কা’দির, আলহামদুলিল্লাহি ওয়া সুবহানাল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ এবং এরপর বলে ‘আল্লাহুম মাগফিরলি (আল্লাহ আমাকে ক্ষমা
করুন) এবং আল্লাহর কাছে চায়, তাহলে তার ডাকে সাড়া দেয়া হবে এবং সে যদি অজু করে সালাত আদায় করা, তাহলে তার সালাত কবুল করা হবে”।(সহীহ বুখারী)